মংচিন থান
বরগুনায় লজিক প্রকল্পের আওতাভুক্ত সমবায় সমিতির লিডার এবং যুব সেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে জলবায়ু ঝুঁকি বীমা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ নভেম্বর শনিবার সকাল ৯.০০ ঘটিকায় বরগুনা সদর পুলিশ লাইন সড়কের আরডিএফ ট্রেনিং সেন্টারে লজিক প্রকল্পের আয়োজনে প্রকল্পভূক্ত ইউনিয়নের সমবায় লিডার এবং যুব স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন লোকাল গভর্নমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (লজিক) প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী জনাব মো. জিল্লুর রহমান, ডিসিসি জনাব ফজলে এলাহী, উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর দীপংকর চন্দ্র দাস। কর্মশালায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রীনডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জলবায়ু ঝুঁকি বীমা নিরসন স্পেশালিষ্ট জনাব মো. তাহমিদ আরাফ।
প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী জনাব মো. জিল্লুর রহমান উপস্থিত সকল সমবায় সমিতির লিডার এবং যুব সেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশ্যে লজিক প্রকল্পের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। প্রকল্পের সাথে যুক্ত সমবায় সমিতির সকল সদস্যদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে জলবায়ু ঝুঁকি নিরসন বীমা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন। লজিকের সাথে ঝুঁকি বীমার গুরুত্ব সম্পর্কে সকল সদস্যদের সাথে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা করার জন্য তিনি আশা ব্যক্ত করেন এবং প্রকল্পের সাথে জড়িত সকল সদস্যগণ ভবিষ্যতে এক একজন মডেল সদস্য হিসাবে সমাজে তাদের অবস্থান তৈরি করবেন।
প্রকল্পের ডিসিসি জনাব ফজলে এলাহী বলেন, ‘লজিক প্রকল্পের মাধ্যমে ঝুঁকি বীমা সমবায় সমিতির একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এই সমিতিগুলোর মাধ্যমে সকলে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করলে ভবিষ্যতে এই সমিতিগুলো একটা রোল মডেল হিসেবে তৈরি করা সম্ভব’।
উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর জনাব দিপংকর চন্দ্র দাস উপস্থিত সকল সমবায় লিডার এবং যুব স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশ্যে লজিক প্রকল্পের ভবিষ্যৎ সুফল নিয়ে আলোচনা করেন।
কর্মশালায় মূল বক্তা হিসেবে গ্রীনডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জলবায়ু ঝুঁকি বীমা নিরসন স্পেশালিষ্ট জনাব মো. তাহমিদ আরাফ বীমার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা তুলে ধরেন। এসময় তিনি বলেন বীমা কেন করা দরকার, বীমা করলে সমিতির সদস্যদের কি কি সুযোগ সুবিধা থাকতে পারে, একজন সদস্য বীমা করলে তার জন্য কি ধরনের ক্ষতিপূরন পাবেন, কি কি ধরনের প্রাকৃতিক সমস্যার কারনে ঝুঁকি বীমার ক্ষতিপূরন দেওয়া হবে, বীমা কতো সময়ের জন্য নেওয়া যাবে এবং একটা বীমায় কতো বার ক্ষতিপূরন দেওয়া হবে তা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
কর্মশালায় বরগুনা জেলার প্রকল্পভূক্ত ৩ টি (বরগুনা সদর, তালতলী ও পাথরঘাটা) উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের ৪০ জন সমবায় লিডার ৯ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও কমিউনিটি মোবিলাইজেশন ফ্যাসিলিটেটরগণ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীগণ তাদের নিজ এলাকার ঝুঁকি নিধারণ ও করণীয় বিষয়ে দলীয় কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।