মোঃ হেলাল উদ্দীন
মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের নয়াপাড়া চান্দা কাটাঁ এলাকায় মাটিতে পড়ে থাকাবস্থায় এলাকায় মা ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
পরিবারের দাবী, পাগল হওয়ায় ৬ বছরের ছেলে আবরারকে গলা টিপে হত্যার পর নিজে নিজেই আত্মহত্যা করেছে ইসমত আরা (৩২)।
রবিবার ১১ জানুয়ারি আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে কুতুবজোম ইউনিয়নের নয়াপাড়া-চান্দাকাটাঁ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নয়াপাড়া, চান্দাকাটাঁ এলাকার আনচার উল্লাহর মেয়ে (ঘটিভাংগা এলাকার রহিম উল্লাহ স্ত্রী) ইসমত (৩২), ও ছেলে আবরার (৬)।
নিহত ইসমত আরার পিতা আনচার উল্লাহ বলেন, আমার মেয়ের সাথে ঘটিভাংগা এলাকার রহিম উল্লাহ সাথে ইসলামী শরীয়াহ মত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। মেয়েটি ভারসাম্যহীন হওয়ায় ৬ বছর আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। সেই থেকে আমার বাড়িতে থাকে। কিছুদিন পর পর মেয়েটি মৃগী রোগে ভোগে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি কোনো প্রকার উপকার হয়নি। আজকে হঠাৎ এলাকার মানুষজন এসে জানায় আপনার মেয়ে ও নাতি মাটি পড়ে আছে। এমন সময় গিয়ে দেখি মেয়ের মাথায় আঘাত মৃত দেহটি পড়ে আছে নাতিকে ও মৃত দেখতে পায়।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, কুতুবজোম ঘটিভাংগা এলাকার রহিম উল্লাহ গত ১০বছর আগে ইসমত আরাকে বিবাহ করে। তাদের সংসারিক জীবনে ২পুত্র সন্তান রেখে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে ইসমত আরা বাবার বাসায় চলে আসে। বাবার বাড়িতে আসার পর ৫বছর আগে বাবার বাড়ির পুকুরে পড়ে তাদের বড় ছেলের মৃত্যু হয়। আজ আবার তাদের ২য় ছেলে ও মায়ের মৃত্যুটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, স্থানীয়রা মা ও ছেলেকে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।