ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর অকাল শহীদি মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সারা দেশে। এই নির্মম ও হৃদয়বিদারক ঘটনায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ, সামাজিক সংগঠন ও মানবাধিকারকর্মীরা গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি উঠেছে।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে গফরগাঁও উপজেলা ১নং রসুলপুরে বিশিষ্ট সমাজকর্মী
ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাবেক ছাত্র দলের নেতা আনিছুর রহমান বলেন, “শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন এক সাহসী রাজনৈতিক কর্মী এবং নির্ভীক কণ্ঠস্বর, যিনি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে তিনি জুলাইয়ের যোদ্ধাদের অধিকার রক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধরে রাখা এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় অসাধারণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
আমি তাঁর শোকাহত পরিবার, স্বজন ও সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
একই সঙ্গে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার, শাস্তি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
একই সাথে দেশ নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোক ও ক্ষোভের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে হাদীর হত্যার বিচার দাবি করা হচ্ছে।
১নং রসুলপুর ইউনিয়নের সাবেক ছাত্র দল নেতা আনিছুর রহমান আরও বলেন, “এই ধরনের নৃশংস অপরাধ রোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
হাদীর অকাল শহীদি মৃত্যু যেন সমাজকে নতুন করে নাড়া দিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে এমন নির্মমতার পুনরাবৃত্তি রোধ করা কঠিন হবে—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।