জনতার খবর রিপোর্টার
প্রকাশঃ 31-জুলাই-2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

পাবনা-৩ আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী,জামায়াতের একক

মো.মেহেদী হাসান।।

পাবনা জেলার ৫টি আসনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন পাবনা-৩। চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের ভোটার সংখ্যা প্রাং সাড়ে ৪ লাখ। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন। প্রতিদিনই চলছে গণসংযোগ,উঠান বৈঠক,সভা,মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা,মতবিনিময় সভা,পথসভা। বাড়ছে ব্যানার আর ফেস্টুনের সংখ্যাও। এ আসনে বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে থাকলেও জামায়াতের প্রার্থী একজন। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাসাদুল ইসলাম হীরা,জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা হাসানুল ইসলাম,কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাফির তুহিন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। মাঝে পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড.মাকসুদুর রহমান মাসুদ খোন্দকার ও ঢাতা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য এ্যাড.আরিফা সুলতানা রুমা মাঠে থাকলেও বর্তমানে তারা কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিনের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। কারণ পাবনা-৩ আসনে হাসান জাফির তুহিনকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হচ্ছে। যদিও অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা তা মানছেন না। তারা বলছেন,মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। এ আসনে জামায়াতের একক মনোনয়ন পাচ্ছেন অধ্যাপক আলী আজগর। ইতোমধ্যে তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষনাও করা হয়েছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের প্রার্থী ঘোষনা করেছেন আ. মুতালিব ও মুফতি মফিজ উদ্দিনকে।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাতপাখা মার্কা পথিকের পাবনা ৩ আসলে চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী হলেন মো. আব্দুল খালেক।মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এখন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপি এখন কয়েকভাগে বিভক্ত। বিএনপির তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা স্থানীয় প্রার্থীর দাবি জানিয়ে মাঠে আছেন। সাধারণ মানুষ চাটমোহরের প্রার্থী চান। কোন বহিরাগতকে তারা মানতে পারছেন না। বিএনপির একাংশ হাসান জাফির তুহিনের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। মাঠে আছেন কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, এডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার,হাসাদুল ইসলাম হীরা ও হাসানুল ইসলাম রাজা। জনপ্রিয়তার দিক থেকে কে এম আনোয়ারুল ইসলাম অনেকটাই এগিয়ে। তবে দেখা গেছে দুঃসময়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদ পায় মাসুদ খন্দকার তিনি এ দুর্দিনে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইউনিয়নে পুলিশের বাধার মুখে মিছিল মিটিং করছে। এবং তিনি কারাবরণ করেছে। তার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি এবং তার বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে।হাসাদুল ইসলাম হীরা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। তারও জনপ্রিয়তা রয়েছে। । হাসানুল ইসলাম রাজার সাথেও বিএনপির একটি অংশ রয়েছে। চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুরবাসী স্থানীয় প্রার্থীর দাবি তুলেছেন। স্থানীয় প্রার্থীর দাবিতে ব্যানার,ফেস্টুন সাঁটানো হয়েছে। চলছে প্রচারনা।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত বাংলাদেশ ব্যবসায়ী যৌথ সভা অনুষ্ঠি

1

মাইজবাড়ী ইউনিয়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা

2

গোপালগঞ্জে শতাধিক আওয়ামী লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

3

গোয়ালন্দে সারের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় ডিলারের বিরুদ্ধে মানববন্

4

তেহরানের আকাশে রুশ ছায়া- কেন শেষ মুহূর্তে থমকে গেল ট্রাম্পের

5

নিরাপদ পানিকে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ঘোষণা হাইকোর্টের

6

বড়গাছী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে মতবিনিময়

7

চাঁদপুরে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যাপক অভিযান

8

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় গরু আটক

9

একজন সৎ কর্মঠ ও নিরহংকার মনের মানুষ ময়মনসিংহের ডিসি সাইফুর র

10

শেষ কর্মদিবসে বগুড়া বাসীকে যে বার্তা দিলেন জেলা প্রশাসক মহা

11

ধান কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

12

নিখোঁজের তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

13

বড়াইগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দ

14

থানা লুটের অবৈধ অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

15

রাজিবপুরে খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন

16

মাদকের বিরুদ্ধে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের আরো একটি সফল অভিযান

17

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় চরকাউয়া ইউনিয়ন যুবদলের দোয়া মা

18

ঝালকাঠি নদী থেকে ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার

19

রায়গঞ্জে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার প্রদ

20