কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রুকুনুজ্জামান বলেছেন, ‘এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব বাছাইয়ের নয়, বরং এলাকার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সময়। জনগণের আস্থা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।’
সোমবার বিকেল পৌনে ৪টায় চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সবুজ কুমার বসাকের কাছে মনোনয়ন পত্র জমাদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুরের ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, এবং যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। এভাবে এলাকার মানুষ স্বচ্ছ, সাম্যপূর্ণ এবং টেকসই সুবিধা পাবে।’
রুকুনুজ্জামান আরও বলেন, ‘কৃষি উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের স্বার্থে কাজ করব-এটাই আমার অঙ্গীকার।’
কুড়িগ্রামের তিন উপজেলা (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) নিয়ে গঠিত কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ জন। এরমধ্যে চিলমারী উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৬০০, রৌমারী উপজেলায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৭ ও রাজিবপুর উপজেলায় ৬৮ হাজার ৬৭৬ জন।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী এ আসনে মোট ৯ জন মনোননয়পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে জমাদানের শেষ দিন (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭ জনের মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে। এরমধ্যে চিলমারী উপজেলা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. রুকুনুজ্জামান, রৌমারী উপজেলা থেকে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা হাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টি থেকে কে এম ফজলুল হক, বাসদ (মই) আব্দুল খালেক ও রাজিবপুর থেকে বাসদ (কেচি) রাজু আহম্মেদ মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দেননি সাবেক এমপি রুহুল আমিন ও বিএনপি’র মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি। চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুরের সহকারী রিটার্নিং অফিসার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন