দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশুদের প্রতি সহিংসতা ও নিষ্ঠুর আচরণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি
পাচ্ছে। শিশুর প্রতি যেকোনো ধরনের মানসিক বা শারীরিক নির্যাতন শুধু তাদের শৈশবকেই
ক্ষতবিক্ষত করে না, দীর্ঘমেয়াদে তাদের ব্যক্তিত্ব, আচার-আচরণ এবং মানসিক বিকাশেও গভীর
নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—
“শিশুর ভুলকে শাস্তির মাধ্যমে নয়; বোঝাপড়া, ধৈর্য ও সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে সংশোধনই
সর্বোত্তম উপায়।”
— প্রথম আলো, ০৪ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশে শিশু নির্যাতনের ভয়াবহ পরিসংখ্যান (২০২৫)
২০২৫ সালের প্রথম ৮ মাসে ৩৯০ জন কন্যাশিশু ধর্ষণ বা দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
এর মধ্যে ৪৩ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের এবং ২৯ জন প্রতিবন্ধী শিশু।
১৫ জন ধর্ষণের পর হত্যা এবং ৫ জন আত্মহত্যা করেছে।
১৩৪ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের চেষ্টার শিকার হয়েছে।
৩৪ জন অপহরণ বা পাচারের শিকার—যার মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ১৮ জন।
১০৪ জন কন্যাশিশু আত্মহত্যা করেছে এবং ৮৩ জন খুন হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (এএসকে) অনুযায়ী ২০২৫ সালে উদ্বেগজনক বৃদ্ধি দেখা গেছে।
শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা শুধু আইনগত অপরাধ নয়; এটি মানবিকতার পরিপন্থী।
আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।
শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা নয়—
তাদের নিরাপত্তা হোক আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।