মোঃ নূর আমিন রহমানলালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তিস্তানদীর পাড়ের পাশের জমি অবৈধভাবে ফসলি জমি, নদ-নদীর তীর থেকে মাটি কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে একটি মহল।প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দিনে ও রাতে চলছে মাটিকাটা।
মাটি পরিবহনে ট্রাক্টর ব্যবহার করায় ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত। গভীর গর্ত করে মাটি কাটার ফলে তিন ফসলি কৃষি জমি পুকুর ও ডোবায় পরিণত হচ্ছে। দিনদিন কৃষিজমি বিলুপ্ত হচ্ছে, ফসলের উৎপাদন কমছে, বেকার হচ্ছেন কৃষক, পরিবেশ হচ্ছে দূষিত। অবাধে মাটিভর্তি ট্রাক্টর চলাচলের কারণে উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সড়কের বিভিন্ন স্থান ইতিমধ্যেই ব্যাপক গর্ত তৈরি হয়েছে। হাঁটু পরিমাণ ধুলা-বালি ও গর্তের কারণে এলাকার লোকজন বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঐ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে বলে দেখা যায়।
কৃষি অফিসের তথ্যমতে,জমির উপরিভাগের ১০ ভাগের ১৫ ইঞ্চির মধ্যে থাকে পলিমাটি। একে মাটির প্রাণ বলা হয়। মাটিকাটার ফলে জমির উর্বরতা শক্তি কমে যাচ্ছে। যা পুরণ করতে অন্তত ১৫ বছর সময় লাগে। তাই জমিতে ভালো ফসল পেতে হলে জমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেওয়া কোনোভাবেই ঠিক হবে না।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন