দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা এলাকায় সামাজিক ও নাগরিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে শাহ আলমের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো বিতর্ক বা নেতিবাচক অভিযোগ নেই। ফলে ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে একজন পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, ফতুল্লা এলাকায় যেখানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব নিয়ে মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে, সেখানে শাহ আলমের শান্ত স্বভাব, স্পষ্ট বক্তব্য এবং জনবান্ধব অবস্থান তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা করেছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় শাহ আলম বারবার সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত ফতুল্লা গড়ার অঙ্গীকার করছেন। পাশাপাশি শ্রমিক অধিকার, তরুণদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নকে তিনি তার প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরছেন।
একাধিক ওয়ার্ডের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এবার পরিবর্তন চান এবং বিতর্কিত বা পুরনো ধারার রাজনীতির বাইরে এসে ক্লিন ইমেজের প্রার্থীর দিকে ঝুঁকছেন। এ ক্ষেত্রে শাহ আলম তাদের কাছে একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটের মাঠে যদি শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে এবং ভোটার উপস্থিতি ভালো হয়, তাহলে ক্লিন ইমেজ ও জনসমর্থনের কারণে শাহ আলম শক্ত অবস্থানে থাকবেন।
এ বিষয়ে শাহ আলম বলেন, “আমি সবসময় চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকতে। আমার শক্তি কোনো পেশিশক্তি নয়, আমার শক্তি ফতুল্লার সাধারণ মানুষ। তাদের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”