মোহাম্মদ আলী মাস্টার
সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে নববর্ষ আর নতুন শিক্ষাবর্ষ খুবই কাছাকাছি। বিনামূল্যে নতুন বই পাবে এ আশায় শিক্ষার্থীরা উদগ্রীব হয়ে আছে। তবে মাধ্যমিক স্তরের ২৬.২১ শতাংশ পাঠ্যবই এখনো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আসেনি। এ কারণে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছবে কিনা, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে আছে শিক্ষক, অভিভাবকরা। বিশেষ করে অষ্টম শ্রেণির একটি বইও না আসায় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো বঞ্চিত হচ্ছে নতুনবছরের বই পাওয়ার আনন্দ থেকে। তবে ৬ষ্ঠ ৭ম শ্রেণির কোন বইয়ের ঘাটতি না থাকলেও আসেনি নবম শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, আইসিটি ও বিজ্ঞান মোট ৫টি বই। অন্যদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ের নেই কোন সংকট। ইতিমধ্যে চাহিদার শতভাগ বই পাওয়ায় পৌছিয়ে দেয়া হচ্ছে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বছরের শুরুতেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীরা বই পেয়ে আনন্দে মেতে উঠবে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার নৌশাদ মাহমুদ ইনকিলাবকে জানান, উপজেলার প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫ শত ৪০টি বই আমরা পেয়েছি এবং বিতরণ করছি।
অপরদিকে, এখনো আসেনি ৬ষ্ঠ ৭ম ও ৯ম শ্রেণির মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কোন একটি বইও। বই পাওয়ার আনন্দ থেকে এবারে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। বই আসেনি৪৬.৩৭ ভাগ।
সরাইল উপজেলায় এবছর মাধ্যমিকে চাহিদা প্রেরন করা হয়েছে ২লক্ষ ৬ হাজার ৪ শত ৫০টি, পাওয়া গেছে ১লক্ষ ৫২ হাজার ৩ শত ৫০টি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জীবন ভট্টাচার্য জানান, সরকারি বিনামূল্যের বই আমাদের নিকট পৌছার সাথে সাথে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়ে দিচ্ছি।প্রায় সকল বই ই এসে গেছে। বাকি বই যখনি আসবে তখনই পাঠাবো প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এবিষয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার তিনজন প্রধানের সাথে কথা বললে তারা জানায়, উপজেলায় বই আসার সংগে সংগেই আমরা বই পেয়েছি, নববর্ষের দিনে যা বই পেয়েছি সেগুলো শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছিয়ে দেবো ইনশাআল্লাহ।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার নৌশাদ মাহমুদ ইনকিলাবকে জানান, উপজেলার প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫ শত ৪০টি বই আমরা পেয়েছি এবং বিতরণ করছি।
অপরদিকে, এখনো আসেনি ৬ষ্ঠ ৭ম ও ৯ম শ্রেণির মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কোন একটি বইও। বই পাওয়ার আনন্দ থেকে এবারে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। বই আসেনি৪৬.৩৭ ভাগ।
সরাইল উপজেলায় এবছর মাধ্যমিকে চাহিদা প্রেরন করা হয়েছে ২লক্ষ ৬ হাজার ৪ শত ৫০টি, পাওয়া গেছে ১লক্ষ ৫২ হাজার ৩ শত ৫০টি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জীবন ভট্টাচার্য জানান, সরকারি বিনামূল্যের বই আমাদের নিকট পৌছার সাথে সাথে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়ে দিচ্ছি।প্রায় সকল বই ই এসে গেছে। বাকি বই যখনি আসবে তখনই পাঠাবো প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এবিষয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার তিনজন প্রধানের সাথে কথা বললে তারা জানায়, উপজেলায় বই আসার সংগে সংগেই আমরা বই পেয়েছি, নববর্ষের দিনে যা বই পেয়েছি সেগুলো শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছিয়ে দেবো ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন