খ,ম,জায়েদ হোসেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের কাছাইট গ্রামে সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদের বৃদ্ধ মা বাবা এবং বাড়িঘর ভাঙচুর সহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল আনুমানিক-১১টার দিকে
মৃত আবুল হোসেন (কেবলের বড় ছেলে মানিক সহ তার-৪ বোন পারভীন, মঞ্জু জনি, রনি এক সাথে-৮,থেকে,১০টি ফলন্ত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনা স্থলে সরজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানায় ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক, সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে এসে কাটা গাছের স্তূপ এবং পরিবারটিকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের যথেষ্ট সত্যতা পাওয়া গেছে। এবং ক্যামেরা বন্ধি করেন।
সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদের বাবা জানু মিয়া বলেন,আমার বাড়িতে ছেলে মেয়ে না থাকায় আমি আর আমার বৃদ্ধ স্ত্রীর উপস্থিতিতে সকালে কেবল মিয়ার চার মেয়ে এসে আমার বাড়ির ফলন্ত গাছ গুলো এক এক করে কেটে ফেলেন।
আমার বাড়ির দক্ষিণ ভিটে থাকা ঘরটি তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভেঙ্গে ফেলেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা দিনের পর দিন প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। কথা বল্লেই নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেবেন। আমি লোক সমাজের ভয়ে কিছু বলতে সাহস পাইনা। কারণ আমি বৃদ্ধ মানুষ জায় ঝামেলা আমার পছন্দ নয়।
সাংবাদিক ইয়াসিন
মাহমুদ জানায়,আমার বাবা গ্ৰামে থাকতে পছন্দ করেন অনেক চেষ্টা করেও শহরে আনতে পারি না। শহরে আসলে বাবার ধম বন্ধ হয়ে আসে।
সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে আমার বাবা মার সাথে প্রতিনিয়ত দুর্ব্যবহার করেন। হয়তো “আমার বৃদ্ধা মা বাবাকে যেকোনো সময় মিথ্যা মামলা, হামলা সহ নানান ধরনের হয়রানি করতে পারে। এমন কি আমি একজন মিডিয়া কর্মী হওয়া
সত্ত্বেও একাধিক সাংবাদিকদের সামনে আমাকে পর্যন্ত মঞ্জু, পারভীন মানহানি মামলা ,নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোকে ও নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে জেলে পাঠাবো অপেক্ষা কর। সরজমিনে গেলে উপস্থিত-৬ জন সাংবাদিকদের সামনেই সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদের পরিবারের উপর বারবার চড়াও হবার বিষয়টি সবার নজরে আসে।
অভিযুক্ত মঞ্জু বেগম সাংবাদিকদের বলেন,
আমাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা নেই। রাস্তার সামনে যে কয়েকটি গাছ ছিল সেগুলো আমরা তাদের অনুমতি নিয়ে কেটে দিয়েছি এ বিষয়ে গ্রামের সর্দারদের মাধ্যমে সালিশও হয়েছে।
তবে সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদ ও তাঁর পরিবারের দাবি তারা আমাদের পরিবার বা কারো অনুমতি ছাড়াই আমাদের গাছ গুলো কেটে ফেলেছে। এবং সালিশের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
গ্রামবাসীর মতে, দীর্ঘদিন যাবত সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদের পরিবারের সাথে আবুল হোসেন কেবলের পরিবারের সদস্যরা অন্যায় জুলুম নির্যাতন করে আসছে।
গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসন
ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। যাতে উভয় পক্ষের মধ্যে নতুন করে কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা হয়রানির মতো ঘটনা না ঘটে। সেই সাথে ফলন্ত গাছ কাটা,ঘর ভাংচুর, করে ঘরে লুটপাট করার দায়ে অভিযুক্ত দের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জুড় দাবি জানান ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
মন্তব্য করুন