হাসিবুল
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলাধীন বাউরা আলিম মাদ্রাসায় অসৎ পন্থা অবলম্বন করে কমিটি গঠন,নিয়োগ বানিজ্যের পাঁয়তারার অভিযোগ অধ্যক্ষ এ কে এম ফজলুল হক এ-র বিরুদ্ধে।
নিয়ম বহির্ভূত ভাবে এডহক কমিটি কে না জানিয়ে,কোন প্রকার নির্বাচনী তকসিল ঘোষণা ছাড়াই পুনঃ কমিটি গঠন করা হয়েছে মর্মে,
(ক) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাটগ্রাম। (খ)উপজেলা শিক্ষা অফিসার পাটগ্রাম।(গ)জেলা শিক্ষা অফিসার লালমনিরহাট।(ঘ)জেলা প্রশাসক লালমনিরহাট।
(ঙ)মহাপরিচালক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা।
(চ)রেজিস্টার বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোড বরাবর লিখত অভিযোগ করেন ওই মাদ্রাসার এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য ভুক্তভোগী হাবিবুর হক।
উক্ত অভিযোগ পত্রে তিনি বলেন,
আমি বাউরা আলিম মাদ্রাসার গত ২৬/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত এডহক কমিটির একজন অভিভাবক সদস্য হই। অতঃপর গত ০৬/১০/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক একটি পুনঃনিয়মিত কমিটি অনুমোদন করা হয়।
আমি এডহক কমিটির একজন অভিভাবক সদস্য হওয়া সত্ত্বেও উক্ত নিয়মিত কমিটি গঠনের বিষয়ে কিছুই জানিনা। কমিটি গঠনকালে মাদ্রাসার সুপার এ কে এম ফজলুল হক সম্পূর্ণ গোপনীয়ভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করে, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি অবৈধ নিয়মিত কমিটি গঠন করেন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নিকট অনুমোদন নেন।
এই প্রক্রিয়ায় মাদ্রাসার সকল অভিভাবক বৃন্দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। নিয়মিত কমিটির ৮ নং শিক্ষক প্রতিনিধি কোন সাধারণ শিক্ষক নন, বরং তিনি উক্ত মাদ্রাসার সহকারী সুপার। অথচ মাদ্রাসা কমিটি গঠন বিধিমালা অনুযায়ী একজন সহকারী সুপার শিক্ষক প্রতিনিধি হতে পারেন না।
এছাড়াও কমিটি গঠন বিধিমালা অনুযায়ী সভাপতি মনোনয়নের ক্ষেত্রেও কোনো বিধিবিধান মানা হয়নি।অথচ সম্পূর্ণ কমিটি গঠন প্রক্রিয়া সম্পুর্ণ করার ক্ষেত্রে অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জাল-জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক জানা অধ্যক্ষ এ-র আগেও কয়েকবার কমিটি গঠনে অনিয়ম করেছেন এবং নিয়োগ বানিজ্যের পাঁয়তারা করেছেন,এবারো উনার মন মতো ব্যক্তিকে সভাপতি নির্বাচিত করে মাদ্রাসাটি অনিয়ম দূর্নীতির আখড়া সৃষ্টি করা চেষ্টা করচ্ছেন।আমরা এই পকেট কমিটি মানি না।
এবিষয়ে অধ্যক্ষ এ কে এম ফজলুল হক এ-র কাছে জানতে চাইলে দুই দিন মাদ্রাসা গিয়ে উনারকে পাওয়া যায়নি এবং মুঠোফোনে একাধিক বার কল করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সহকারি অধ্যক্ষ আবুল কালাম জানান,উনি কিভাবে কমিটি করেছে আমি জানি না।
এবিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ জানান,অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টি তদন্ত করা জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে নির্দেশ দিয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।