দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় এবার আমনের ফলন ভালো হয়েছে। ধানের দামও চড়া। কিন্তু কৃষক হাটে বিক্রি করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ওজনে প্রতারিত হচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা প্রতি মণে কৌশলে ২-২.৫ কেজি করে ধান বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
উপজেলার প্রান্তিক এক কৃষক জানায় সে এবার ২ বিঘা জমিতে আমন ফসল ফলায় কিন্তু বাজারে ধান বিক্রি করতে গিয়ে তাকে বস্তা প্রতি ২.৫ কেজি ধান বেশি হিসেবে নেয়। অথচ ১ টি বস্তা গড় ওজন প্রায় ৫০০- ৭০০ গ্রাম।
নবাবগঞ্জ উপজেলার আর এক কৃষক ভারাক্রান্ত মনে বলে যে ,❝ মুই মাত্র ১০ কাঠা জমিত ধান লাগাছনু ধান পাইছো ১০ মন তার মধ্যে বস্তা প্রতি ২.৫ কেজি ধান ভরনি নিছে। হারা অনেক ক্ষতির মধ্যে আছি, দেখার কেউ নাই।❞
নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ২১ হাজার ৭২৫ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে । এর মধ্যে ১ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড এবং ১৯ হাজার ৮১৫ হেক্টর আমন উফশী ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নবাবগঞ্জের সকল কৃষকরা উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।