কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারীতে কর্মরত জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনা–সমালোচনা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৯ নং চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে তার নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক একটি মামলায় তাকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত দেখানো হয়েছে—যা স্ববিরোধী বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
এ নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক যদি ভুয়া প্রত্যয়নপত্র বা বিভ্রান্তিকর কমিটি প্রদান করে থাকেন, তবে বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
পেশাগত জীবনে দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত আনোয়ার হোসেন বর্তমানে কারাগারে আছেন। সহকর্মীদের দাবি, তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়াটাই আজ তার জন্য বড় বিপদ ডেকে এনেছে। তাদের ভাষ্য, “মানুষ বিপদে পড়লে মানুষই তাকে আরও বিপদে ফেলে”—এই বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন আনোয়ার।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, তারা ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি মহাসচিব, পুলিশ প্রধান এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরাবরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন। অন্যদিকে, তার মুক্তির দাবিতে আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুটি স্থানে স্থানীয় সাংবাদিকরা মানববন্ধন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ বলছে, আনোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক পরিচয় যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করা হয়ে থাকে, তবে ঘটনাটির সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।