নুর মোহাম্মদকুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার পৌরসভার হারং ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কাউছার মিয়া ও তার স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াত নেতা সুমন মিয়া, তার ছোট ভাই সাইমন, সাইদুল এর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কাউছার মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী মুজিবুর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি কাউছারের ঘরের পেছনে থাকা কিছু কলাগাছ ও একটি আমড়া গাছ মুজিবুর রহমানের জায়গায় লাগানো হয়েছে দাবি করে দুই পরিবারের নারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মুজিবুর রহমানের ছেলে সুমন, সাইমন ও সাইদুল ওই গাছগুলো কেটে ফেলে। কাউছার বাধা দিতে গেলে তারা কাউছার ও তার স্ত্রীকে মারধর করে এবং দা দিয়ে কাউছারের ঘরের বেড়া কুবিয়ে কাটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কাউছার মিয়া বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তারা বারবার বলছে—এই জায়গা নাকি তাদের, যদিও আগে কখনো এমন দাবি করেনি। ওই সময় থেকে তারা আমাদের ওপর তিনবার আক্রমণ করেছে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিচার করে জমির বিষয়টি মীমাংসা করলেও তারা সেই বিচার মানেনি। আজ আবার আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মেরেছে। আমার স্ত্রী এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাবিনা জানান, ৫ আগস্টের পর তারা তিনবার আমাদের আক্রমণ করেছে। একবার মারধর করে আমার হাত কেটে দেয়। আজকে আবার ১৫ /১১/ ২০২৫ আমাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় এতে নাক ফেটে রক্ত বের হয় এবং চোখে ঘুশি মারা হয় চোখ রক্তাক্ত হয়ে আছে চোখে আমি এখন ঝাপসা দেখি।
অভিযুক্ত মুজিবুর রহমান বলেন, কাউছার আগে আমার ছেলেদের হুমকি ধামকি দিয়েছে। তাই আমার ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওদের দুইটা গাছ কেটেছে এবং তারা বাধা দিতে আসলে এক পর্যায়ে হাতা হাতি হয়।
এ বিষয়ে চান্দিনা থানার তদন্ত ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।