মোয়াজ উদ্দিন
কৃষ্ণচন্দ্র মনি দাসের সাথে পরিচয়, বন্ধুত্ব ও ভালো সম্পর্ক তাই মানিকগঞ্জের বাসিন্দা এক গাড়িচালক তার স্ত্রীকে নিয়ে বালিয়াটি প্রাসাদ ঘুরতে এসেছিলেন।
ঘোরাফেরা শেষে সন্ধ্যার দিকে তারা রামরাবণ গ্রামের ফনি চন্দ্র মনি দাসের বাড়িতে যান।
সেখানে অনেক গল্পগুজবের পর রাত কাটানোর জন্য তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণচন্দ্র মনির বোন শান্তি রানী মনি দাসের বাড়িতে।
দম্পতির সবকিছু দেখভাল করার দায়িত্ব কৃষ্ণচন্দ্র মনি নিজেই করছেন।
মুসলিম দম্পতি সারাদিনের ক্লান্তি ও ঘুরাফেরার ফলে সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত প্রায় ১২টার দিকে ৫–৭ জন হি*দু যুবক চাপাতি ও রামদা নিয়ে রুমে ঢুকে পড়ে।
ঢুকেই তারা স্বামীকে রশি দিয়ে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলে এবং ধারালো অস্ত্রের মুখে অসহায় গৃহবধূকে রাতভর সংঘ.ব.দ্ধভা.বে *র্ষণ করে।
এমনকি সঙ্গে থাকা কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের বালাসহ মোট সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কারও ছিনিয়ে নেয়।
ভোরের আগে হত্য।র হুমকি দিয়ে স্বামী–স্ত্রীকে বাড়ি ও গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
পরদিন সকালে তারা ন্যায়বিচারের আশায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্যদের কাছে যান।
এলাকাবাসীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ সময় সজীব চন্দ্র মনি দাসসহ কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল যুবক ভুক্তভোগী দম্পতিকে লাঠিপেটা করে এবং গ্রাম থেকে বের করে দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে, ধামরাই থানার এএসআই হারাধন সরকার জানান,
সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত কাউকেই পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাসও বলেন, ঘটনার বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।