বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার বলেছেন, গত ২ জানুয়ারি জেলা কমিটির সদস্য সচিব মাহদী হাসানের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য তারা অনুতপ্ত। এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুঃখ প্রকাশ করতেই তারা থানায় এসেছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আরিফ তালুকদার বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু। আমরা আইনকে শ্রদ্ধা করি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মাহদী হাসানকে জামিনে মুক্ত করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হোক এবং সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রয়োগ হোক। ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে আমাদের বারবার মাঠে নামতে হয়। জুলাইযোদ্ধা সুরভীর ঘটনায় আমরা তা দেখেছি যেখানে ১৭ বছর বয়সী মেয়েটিকে ২১ বছর দেখিয়ে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল। আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পরই সে মুক্তি পায়।”
আরিফ তালুকদার বলেন, “আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না। যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, সেই ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে আমরা পুলিশকে সহযোগিতা করব। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানাই ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তারা যেন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে।”
এ সময় তিনি জুলাইযোদ্ধা ওসমান হাদি হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেন।
প্রেস ব্রিফিং শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার নেতাকর্মীরা শায়েস্তাগঞ্জ থানায় উপস্থিত হয়ে সম্প্রতি সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। তারা পুলিশের সব ন্যায়সংগত কাজে সহযোগিতা করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন