ফয়সাল করিম দাবি করেন, মিথ্যা মামলায় জড়ানোর আশঙ্কায় তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন এবং বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, “আমার দুবাইয়ের পাঁচ বছরের মাল্টিপল ভিসা ছিল। অনেক কষ্ট করে আমি দুবাই চলে আসতে সক্ষম হয়েছি।”
তিনি অভিযোগ করেন, শুধু তাকেই নয়—এই ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যদেরও
মিথ্যাভাবে জড়ানো হয়েছে এবং তারা চরম হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। “আমার পরিবারের কারও কোনো দোষ নেই। অথচ যেভাবে পারছেন, সেভাবেই তাদের অত্যাচার করা হচ্ছে,” বলেন তিনি।
এখানে একটা কাজ ছিল অর্থমন্ত্রীর, একটা কাজ ছিল আপনার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের। তো, এই দুইটা কাজ নিয়ে আমি কথা বলতে গিয়েছিলাম।
আমি তাকে ৫,০০,০০০ টাকাও দিয়েছি। অগ্রিম চেয়েছিল এবং তার এই যে প্রোগ্রামগুলো, এগুলোর ডোনার হিসেবে আমাকে থাকতে বলেছিল, আমি থেকেছি।
তার প্রোগ্রামগুলোর জন্য যত টাকা লাগতো আমি দিয়েছি। এবং লাস্ট যেদিন প্রোগ্রাম, ওইদিনই তাকে আমি ১০,০০০ টাকা দিয়েছি।
তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে তিনি ছিলেন না বলে স্পষ্ট দাবি করেন ফয়সাল করিম। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ওই বাইকের চালক তার কোনো আত্মীয় বা ছোট ভাই নন। “আমাদের দুজনকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে,” অভিযোগ তার।
তিনি আরও দাবি করেন, যাদের সঙ্গে এই ঘটনার সংশ্লিষ্টতার কথা বলা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে আগে থেকেই রাজনৈতিক সংযোগ ছিল। এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে তার অভিযোগ।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফয়সাল করিম বলেন, “আমি ও আমার পরিবার এই
ঘটনায় ভুক্তভোগী। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একদিন অবশ্যই সঠিক বিচার হবে।”
অর্থনৈতিক বিষয়ে তিনি বলেন, যেসব ব্যাংক লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো তার বৈধ আয় ও সরকারি বিলের টাকা। “আমি নিয়মিত ট্যাক্স দেই, এ বছরও বড় অঙ্কের কর
পরিশোধ করেছি। প্রতিটি টাকার হিসাব আমার কাছে আছে,” বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন