এম.এইচ কাশফি
সাধারণ এক গ্রামের মেয়ে, সীমিত সুযোগ-সুবিধা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে সঙ্গী করে যে অসাধারণ সাফল্যের গল্প লিখেছে, তার নাম মাহাবুবা সুলতানা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫–২৬ এর সি ইউনিটে মেধা তালিকায় ২য় স্থান অর্জন করে তিনি আজ ফটিকছড়ির গর্বে পরিণত হয়েছেন।
মানবিক বিভাগ থেকে পড়াশোনা করা মাহাবুবা ছিলেন ফটিকছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিয়মিত পরিশ্রমের মাধ্যমেই তিনি এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছান। তাঁর এই কৃতিত্বের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে Authentic University Admission Coaching—যার সুপরিকল্পিত গাইডলাইন, অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী ও নিয়মতান্ত্রিক প্রস্তুতি তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলে।
স্থানীয়দের মতে, মাহাবুবার এই ফলাফল প্রমাণ করে—গ্রাম থেকে এসেও সঠিক পরিচর্যা, পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও দৃঢ় মনোবল থাকলে জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জন সম্পূর্ণ সম্ভব। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার।
মাহাবুবা সুলতানা বলেন,
“অথেন্টিকের সঠিক গাইডলাইন ও নিয়মিত অনুশীলন না থাকলে এই সাফল্য সম্ভব হতো না। আমি আমার শিক্ষক ও পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাহাবুবা সুলতানা কেবল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। দেশের সুনামধন্য শিক্ষার আতুড়ঘর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি ইউনিটেও তিনি নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। এতে করে তাঁর সাফল্য পেয়েছে নতুন মাত্রা।
গ্রামের এই কৃতী সন্তানের স্বপ্নছোঁয়া অর্জন আজ ফটিকছড়ির আকাশে নতুন করে আশার আলো জ্বালিয়েছে। অথেন্টিক থেকে শুরু হয়ে অথেন্টিক সাফল্যের ছোঁয়ায় মাহাবুবা সুলতানার এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখাতে অনুপ্রাণিত করবে।