মোঃফরমান উল্লাহ
কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে হাড় কাঁপানো শীতে।
আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলার হাওর অধ্যুষিত নিকলী উপজেলায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে নিকলীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গতকাল রোববারও (২৮ ডিসেম্বর) নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জনজীবনে শীতের প্রভাব
আজ সোমবার বেলা ১১টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, সারা দেশের মধ্যে নিকলী উপজেলাতেই তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নিকলী ও এর পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় ও যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে
ঘন কুয়াশা এবং শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন নিম্নআয়ের ও খেটে খাওয়া মানুষ। কাজ না পেয়ে অনেক দিনমজুর মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “ঠান্ডার তীব্রতায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে, মাঠে কাজে যাওয়া যাচ্ছে না।
শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষ করে হাওর এলাকার খোলা পরিবেশে হিমেল হাওয়ার কারণে দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
স্থানীয়রা এই পরিস্থিতিতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শীতবস্ত্র বিতরণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিন এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে, যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।