মো আমিনুল ইসলাম
ডা: রুস্তম আলী ফরাজী কলেজ অনুষ্ঠিত ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতাকে ঘিরে অসামাজিক ছড়ানো গুজবের সত্যতা প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
আধুনিক বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে বাংলাদেশ সরকার ভিডিও গেম ই-স্পোর্টস কে প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বর্তমানে এটি একটি মেধা ও দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা স্বীকৃতি প্রদান করে।
বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালের ১৩-জুলাই মাসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ই-স্পোর্টসকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'ক্রীড়া' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা গেমিং কমিউনিটিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলে এখন খেলোয়াড়রা সরকারি সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন, যদিও গুজব নিরসন ও নীতিমালা প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি কাজ করছে।
ঘোষণা :- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৩ জুলাই, ২০২৫ তারিখে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন-২০১৮ এর ২(২) ও ৬ ধারা অনুযায়ী এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
গুরুত্ব:- এটি ই-স্পোর্টসকে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার এবং প্রতিযোগিতামূলক কার্যকলাপ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ সাধন করে।
সম্পত্তি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলা'য় ডা: রুস্তম আলী ফরাজী কলেজে ই-স্পোর্টস এর অনুমোদিত একটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ হাজার টাকার প্রাইজ
মানিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ডিজিটালের মাধ্যমে একটি গেম ভিডিও প্রতিযোগিতা রাখা হয়।
সম্প্রতি এই প্রতিযোগিতাকে নিয়ে নানানভাবে গুজব ও সমালোচনা করা হয়। যেখানে
বিশ্বের অন্য অন্য দেশগুলো নিজের দেশেকে ভিডিও গেমের মাধ্যমে বিশ্বকে তাদের মেধা ও ডিজিটাল বহিঃপ্রকাশ উন্মোচন করে। অথচ বাংলাদেশ সরকার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এর স্বীকৃতি অনুযায়ী ডা: রুস্তম আলী ফরাজী কলেজ একটি ভিডিও গেম ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
যারা এ বাধা বা গুজবে ছাড়াচ্ছেন তাদের জানা উচিত, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরগুনা সরকারি কলেজ, সহ বাংলাদেশের প্রায় জাগায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভিডিও গেমের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে আমরা দেখতে পারি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গুলো তাদের মেধা দিয়ে নানান ধরনের ভিডিও গেম প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের দেশকে বিশ্বের কাছে উন্মোচন করে অথচ আমরা আমাদের দেশের ই স্পোর্টস-কে অথবা দেশকে মূল্যায়ন না করে তাকে নিয়ে সমালোচনা করা আমাদের দেশের জন্য ভালো কিছু নয়।
যাহারা এই গুজব ও সমালোচনার মাধ্যমে বাধা দিচ্ছেন তাদের জানা উচিত। ই-স্পোর্টস এর আইনি ধারা অনুযায়ী আপনারা যারা গুজব ও বাধা দিচ্ছেন। সকলের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনি ধারার নীতিমালা রয়েছে।
ডা: রুস্তম আলী ফরাজী কলেজ এই শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের কলেজে ভিডিও গেম প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই ভিডিও গেমটি কোন জুয়া বা অসামাজিক আচরণের ভাবে বহিঃপ্রকাশ করে না। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোতে ভিডিও গেম এর মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তাদের দেশকে উন্মোচন করে অথচ আমাদের সমাজের কিছু কুচক্র মহল তারা এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ফেসবুক সহ সামাজিক মাধ্যমগুলোতে গুজব ছড়াচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে যে ই স্পোর্টস এর অনুমোদনসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এর অনুমোদন ক্রমে ডা: রুস্তম আলী ফরাজী
কলেজে অনুমোদিত অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ঐক্যবদ্ধ
ভাবে তৈরি করা ও মেধাবিকাশ সহ টিম ওয়ার্ক কাজ করার দক্ষতার প্রকাশ ঘটে এই রকম
প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে তারা অশিক্ষিত মুর্খ।
ডাঃ রুস্তম আলী ফরাজী ডিগ্রি কলেজে আজ যে ই-স্পোর্টস আয়োজনে ভিডিও গেম প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু বিভ্রান্তিকর ও গুজবমূলক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।
ডাঃ রুস্তম আলী ফরাজী ডিগ্রি কলেজে অনুষ্ঠিত ই-স্পোর্টস কার্যক্রমটি ছিল সম্পূর্ণ আইনসম্মত, শিক্ষামূলক ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজন।
মন্তব্য করুন