আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল
স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে পাকবাহীনীর অত্যাচার, নির্যাতনের প্রতিবাদে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে ছিল এদেশের আবালবৃদ্ধবনিতা। স্বাধীনতা লাভে অকাতরে জীবন বির্সজন দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। শতশহীদের আত্মত্যাগকে চির সমুন্নত রাখতে সারা দেশের ন্যায় চিলমারীতে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব গাম্ভিজ্জের সাথে উদযাপন করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি পালনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি নেয়া হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। এ সময়ে চিলমারী উপজেলা চত্বরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক, উপজেলা প্রকৌশলী জুফিকার আলী জুয়েল, চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন, চিলমারী নৌ-বন্দর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ, আনসার ভিডিপি অফসার, মহিলা বিষয়ক দপ্তর,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চিলমারী শাখার পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন আহব্বায়ক বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল বারী সরকার, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাহেব আলী, সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক আবু ওবায়দুল হক খাজা, যুগ্ম আহব্বায়ক সহঃ অধ্যাপক রফিকুল ইসলা স্বপন, সহঃ অধ্যাপক ফজলুল হক, সাবেক অধ্যক্ষ শামছ উদ্দিন সরকার, বিএনপি নেতা আনজু মিয়া, যুগ্ম আহব্বায়ক সাদাকাত হোসেন সাজু, সদস্য সচিব আবু হানিফা, সদস্য ও সাংবাদিক বদরুদ্দোজা বুলু, সদস্য শাহআলম সবুজ, যুবদলের সদস্য সচিব রুহুল আমিন জিয়া,মহিলা দলের নেত্রী জান্নাতি ফেরদৌস চায়না, রোজি, মৎসজীবিদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক নুর আলম প্রমূখ। এছাড়াও শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান করেন প্রেসক্লাব চিলমারীর সভাপতি সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আনেয়ারুল ইসলাম জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক, চিলমারী প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া,সাংবাদিক আলমগীর হোসেন, সাংবাদিক সাওরাত হোসেন সোহেল, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, পল্লী বিদ্যূৎ অফিস, চিলমারী সরকারী ডিগ্রী কলেজ, গোলাম হাবিব মহিলা কলেজ, চিলমারী মহিলা কলেজ, থানাহাট এ,ইউ পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, থানাহাট পাইলট বালিকা বিদ্যালয়, বিএম কলেজ ও অন্যান্য সংগঠন সমূহ। চিলমারী মুক্তি যোদ্ধা সংসদ ভবনে পতাকা উত্তেলন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক, বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল বারী সরকার, চিকমারী মুক্তি যোদ্ধা সংসদের আহব্বায়ক বীর মুক্তি যেদ্ধা আব্দুর রহিম প্রমূখ। এসময় অসংখ্য মুক্তি যোদ্ধা ও মুক্তি যোদ্দা পরিবারের সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন। সকাল ৮ টায় থানাহাট এ,ইউ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়েজিত বিজয় দিসের মাঠে পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চিলমারী মডেল থানার ইনচার্জ। বিজয়ের উচ্ছাস প্রকাশে রঙ্গিন বেলুন ও দেশের শান্তি বজায় রাখতে এক জোড়া সাদা কবুতর আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে শুভেচ্চা বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক। মাঠে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। থানাহাট পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও থানাহাট ২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগন মাঠে তাদের ডিসপ্লে প্রদর্শন করে সকলের দৃষ্টি কামনা করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বীর মুক্তি যোদ্ধাদের মাঝে রজনী গন্ধার ফুল দিয়ে মহান বিজয়ের শুভেচ্ছা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক। প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান শেষ করে উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা,বীর মুক্তি যোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুধীজন বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সংগঠনের স্টল পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন