নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নে ক্রয়কৃত ভূমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনা ঘটেছে। আবদুল গফুরের কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমির মালিকানা দাবি করে উভয় পক্ষ বর্তমানে বিরোধে জড়িয়েছে।
অভিযোগকারী আক্তারুজ্জামানের পক্ষে তার ভাই আমিরুল ইসলাম জানান, তাদের পিতা মরহুম মনসুর মাস্টার কাদরা মৌজার ৪০১ নম্বর এলাকায় জেলা জরিপের ১২৩ নম্বর এবং এমআরআর ১২৬ নম্বর খতিয়ানে (তারিখ: ০৩/০৬/১৯৮০) ৩৩৩৪ নম্বর ছাব কবালার মাধ্যমে ৫.৫০ শতাংশ জমির মালিক হন। পিতার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে তারা ওই সম্পত্তির মালিক হন।
তিনি আরও দাবি করেন, নালিশী জমিটি বি এস ৭১৮ নম্বর খতিয়ান, সাবেক ২২৫ নম্বর দাগের হাল ১৯৬ দাগে মরহুম মনসুর আহমেদ ও তার ওয়ারিশদের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। অথচ একই জমি আবদুল গফুরের কাছ থেকে নেকবর আহমদ প্রকাশ নেকবর মেম্বার ক্রয় করেছেন বলে দাবি করছেন।
অন্যদিকে, বিবাদী নেকবর আহমদ প্রকাশ নেকবর মেম্বার তার বক্তব্যে জানান, তিনি কাদরা মৌজার ৪০১ নম্বর এলাকায় জেলা জরিপের ১২৩ নম্বর ও এমআরআর ১২৬ নম্বর খতিয়ানে (তারিখ: ১৪/০৮/২০০৬) ৪৪৪৮ নম্বর ছাব কবালার মাধ্যমে মোট ১০ শতাংশ জমি (৮ শতাংশ ও ২ শতাংশ) বৈধভাবে ক্রয় করেন। তার দাবি অনুযায়ী, নালিশী জমিটি বি এস ৭১৮ নম্বর খতিয়ান, সাবেক ২২৫ নম্বর দাগের হাল ১৯৬ ও ২৩১ দাগে তার নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ভূমি বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে আক্তারুজ্জামান সেনবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পাশাপাশি আদালতেও ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি মামলা চলমান রয়েছে।