মোঃ রাজু মিয়া
হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের প্রতিফলন। এটি শুধু একটি সেতু নয়; বরং এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
নিচে এর গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি
হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুর মাধ্যমে গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে।
নদী পারাপারের জন্য নৌকার ওপর নির্ভরশীলতা কমেছে, ফলে যাতায়াত সহজ ও সময়সাশ্রয়ী করা সম্ভব হয়েছে।
উত্তরবঙ্গেরত অন্যান্য জেলাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
এসব অঞ্চলের মানুষ এখন মাত্র ৪ ঘন্টায় ঢাকা যেতে পারে, যেখানে আগে সাধারনত সময় লাগতো ৮-১০ ঘন্টা।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন
কৃষিজ পণ্য দ্রুত বাজারজাত করা সম্ভব হয়েছে, যা কৃষকদের করেছে লাভবান।
ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে, বিশেষ করে চিলমারী ও সুন্দরগঞ্জ অঞ্চলে নতুন বানিজ্যিক বাজারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটে, কারণ এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর দূরান্ত থেকে অনেক পর্যটক আসতেছেন।
সামগ্রিক সামাজিক ও জীবনযাত্রার উন্নয়ন
সেতুটি চালু হওয়ার পর দুই অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সামাজিক সম্পর্ক আরও মজবুত ও দৃঢ় হয়েছে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, কারণ সেতুর আশেপাশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প-প্রতিষ্ঠানের বিকাশের পরিস্থিতী তৈরি হয়েছে।
সর্বোপরি, হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এবং উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে ইনশাহ-আল্লহ