কনক কান্ত দাস
গত ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ২৩৭ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেন এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে মনোনয়ন দিয়েছেন ৯৩ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ কে, শুধু তাই নয় তিনি অন্যের সাহায্য ছাড়া হাটা চলা করতে পারেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তৃনমুল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কসবা আখাউড়ায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিগত সরকারের আমলে বিএনপির ক্রান্তিলগ্নে তিনি পারি জমান সুদুর কানাডা, দেশে বিএনপির নেতা কর্মীদের কি হাল অবস্থা তা জানারও চেষ্টা করেন নি তিনি, কসবা উপজেলা যুবদলের একজন সদস্য জানান ৫ ই আগষ্টে সৈরাচারের পতন না হলে ওনি দেশেই আসতেন না,“দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত ও নিষ্ক্রিয় একজন ব্যক্তিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষার প্রতি অবজ্ঞা।” তৃনমূলের দাবি, মুশফিকুর রহমান গত ১৭ বছর ধরে এলাকাবিহীন, দলের কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় এবং বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত। তৃনমূলের নেতা কর্মীরা আরও অভিযোগ করেন, তিনি অতীতে দেশ টিভি আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর কাছে বিক্রি করে দেন, এবং তার প্রাক্তন সচিব মোহাম্মদ আরিফ বর্তমানে ২৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির মামলায় কারাগারে বন্দী।
তাদের বক্তব্যে আরও ওঠে আসে, মুশফিকুর রহমান “১০ শতাংশ কমিশন বাণিজ্য”র সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বর্তমানে শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা নেই। এই আসনটি তে মনোনয়ন পূর্ণ বিবেচনা না করলে তৃনমুল নেতা কর্মীরা কঠোর আন্দোলনের ডাক দিবে বলেও গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন