জনতার খবর রিপোর্টার
প্রকাশঃ 1-জানুয়ারী-2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

তামাকমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে কঠোর অধ্যাদেশ ই-সিগারেট নিষিদ্ধ ও জরিমানা বৃদ্ধি

মেহেদী হাসান হাবিব

জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে আরও শক্তিশালী করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কার্যকর করা হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর আজ থেকে এই নতুন বিধান কার্যকর হলো। তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের মরণঘাতী প্রভাব থেকে জনগণকে বাঁচাতে এবং বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত আইনকে একীভূত করার লক্ষ্যে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

​ই-সিগারেট ও উদীয়মান তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
​পাবলিক প্লেসে কঠোরতা ও জরিমানা বৃদ্ধি
​বিজ্ঞাপন ও বিক্রয়কেন্দ্রে বিধিনিষেধ

​প্রিন্ট,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মে তামাকের বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
​বিক্রয়স্থলে
(Point of Sales) তামাকের প্যাকেট প্রদর্শন করা যাবে না।
​সিএসআর
(CSR) কার্যক্রমের নামে কোনো তামাক কোম্পানি তাদের নাম বা লোগো ব্যবহার করতে পারবে না।
​শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের চারপাশে তামাকমুক্ত এলাকা
​প্যাকেজিং ও অন্যান্য কঠোরতা

​নতুন এই আইনে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট (HTP) এবং নিকোটিন পাউচের মতো সব ধরণের উদীয়মান তামাকজাত পণ্য উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, বিক্রয় ও ব্যবহারকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

​এখন থেকে সকল পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি সব ধরণের তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ। এই আইন অমান্য করলে জরিমানার পরিমাণ ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া 'পাবলিক প্লেস' এবং 'তামাকজাত দ্রব্য'-এর সংজ্ঞাও ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

​তামাকজাত দ্রব্যের যে কোনো ধরণের প্রচার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:

​তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ এবং শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া তামাকের সাথে কোনো ধরণের অতিরিক্ত আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো এখন থেকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

​তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ স্থান জুড়ে রঙিন ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবাণী প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি কুম্ভি ও টেন্ডু পাতার বিড়ি উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের পুরনো একটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করা হয়েছে। আইন অমান্যকারী কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধান রাখা হয়েছে।


 


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুন্দরবনের বোন রক্ষীদের বিশেষ অভিযান

1

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে রাতের আঁধারে মাটি কাটার হিড়িক

2

সাতক্ষীরায় আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের জেলা এ্যাডহক কমিট

3

নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

4

মুত্তাকী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ

5

পার্বতীপুরে বিএনপির যৌথ কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

6

বুধহাটায় পুকুরে পড়ে প্রাণ গেল শিশু অর্নব দেবনাথের

7

সাংবাদিক শিশির রঞ্জনের পিতা সুনিল রঞ্জন হাওলাদারের পরলোক গমন

8

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ফুটবল খেলা দেখে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় য

9

ভাটপাড়া ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা

10

গড়েয়ায় গ্রাম বাংলা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে শীতবস্ত্

11

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছরে চীনা শিক্ষার্থী দ্বিগুণ

12

ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় আ. লীগ নেতা গ

13

পীরগাছায় নেকমামুদ আপডেট পাবলিক স্কুলের অভিভাবক ও সুধী সমাবেশ

14

অধ্যাপক আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী সাহেবকে স্বাগত জানাল আল-ইসল

15

নড়াইলে বালতির পানিতে ডুবে শিশুর ও নারকেল গাছ থেকে পড়ে কিশোরে

16

ব্র্যাকের মানবিক উদ্যোগ ভাঙ্গুড়ায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতর

17

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জ

18

ফটিকছড়ির মেয়ে উমামা ফাতেমা টেলবার্গ ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল লিডা

19

বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বরিশাল আইনজীবী ফোরামের দ

20