মুজাদ্দেত হোসেন রবিন
জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বড় ঘোষণা দিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং সমমনা ৮ দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে 'ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি' (এনসিপি)।
ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা এবং ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে এই সমঝোতা করা হয়েছে।
আসন বণ্টন ও কৌশল জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সফল হয়েছে। নির্বাচনী আসন এবং কৌশলগত অবস্থান নিয়ে উভয় দল শিগগিরই যৌথ ইশতেহার প্রকাশ করবে।
জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন যে, এটি কেবল ক্ষমতার অংশীদারিত্ব নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এই দুই শক্তি একযোগে কাজ করবে।
"আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়তে চাই যেখানে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। জামায়াত এবং সমমনা ৮ দলের সঙ্গে এই সমঝোতা সেই লক্ষ্যেই একটি বড় পদক্ষেপ, বলেন
— নাহিদ ইসলাম
কেন এই সমঝোতা?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপি এবং জামায়াত এবং সমমনা ৮দলের এই জোট নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তন আনতে পারে। তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বাধীন এনসিপি এবং সুসংগঠিত ক্যাডারভিত্তিক দল জামায়াত একসাথে ভোটযুদ্ধে নামলে তা অন্যান্য প্রধান দলগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।