তোফাজ্জেল হোসাইন সিপাহী
পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় হোটেল ও ভাড়া বাসায় পতিতাদের উপস্থিতি ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় সমাজের মধ্যে নানান শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পর্যটন শহর কুয়াকাটার হোটেল ও ভাড়া বাসায় পতিতাদের উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে বেশ কিছু দিন ধরে বাড়িতে ও হোটেলে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতির কারণে পর্যটক আগ্রহ কমে যাচ্ছে, যা সরাসরি পর্যটন শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের পেছনে মূলত প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে। হোটেল ও বাড়ি এই ধরনের কার্যক্রমকে লুকিয়ে রাখার কারণে পরিস্থিতি আরও গভীর হচ্ছে।
আরো এক স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, “পর্যটন শহর হিসেবে কুয়াকাটার সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। হোটেল ও ভাড়া বাসায় অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ না হলে পর্যটক আগমন আরও কমবে।” কেবল স্থানীয় সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে না, বরং পর্যটন শিল্পের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের প্রতিবাদ: স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এবং ধর্মীয় নেতারা এই সমস্যা বন্ধে মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছেন, যুবসমাজকে রক্ষায় মাদকমুক্ত কুয়াকাটা চেয়েছেন।
পর্যটকদের হয়রানি: সন্ধ্যায় সৈকতে ভাসমান পতিতারা পর্যটকদের কাছে খদ্দের খোঁজে নামে, এতে পর্যটকরা অস্বস্তিতে পড়ে।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা: পতিতাদের আশ্রয় দেওয়া বা এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জামায়াত নেতাকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য:
“কুয়াকাটা একটি সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। কিন্তু হোটেল ও বাড়িতে পতিতাদের এতটা উপস্থিতি সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি,” বলেন এক স্থানীয় শিক্ষক।
পর্যটক ও সাধারণ মানুষও জানিয়েছেন, “এমন পরিস্থিতি পর্যটনের জন্যও ক্ষতিকর। আমাদের উচিত সামাজিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রতি সচেতন থাকা।”এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প ও স্থানীয় সমাজকে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মন্তব্য করুন