গাজীপুরে গত এক বছরে সহিংসতার মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়েছে। সর্বশেষ বার্ষিক হিসাব অনুযায়ী, শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩,০৮৫টি গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সংখ্যাটি গত বছরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খুন, ছিনতাই, সশস্ত্র হামলা ও জীবননাশের উদ্দেশ্যে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের ঘটনার সমন্বিত সংখ্যা ৩,০৮৫। অপরাধ বাড়ার এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে গাজীপুর মহানগর, টঙ্গী, কাশিমপুর, কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী অঞ্চলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন—শহরে এখন নিরাপত্তাহীনতার চাপ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে রাতের সময় চলাচল করা ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। শ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও ছাত্রদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে—গাজীপুরে দ্রুত নগরায়ণ, শ্রমিক-নির্ভর পরিবেশ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলোর সক্রিয়তার কারণে অপরাধ বাড়ছে। পুলিশের দাবি, চলমান বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, গাজীপুরে অপরাধ বৃদ্ধি এখন “গুরুতর সংকেত”। তারা বলছেন—শুধু পুলিশের তৎপরতা নয়, সামাজিক প্রতিরোধ, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা এবং প্রশাসনিক কৌশল—সবকিছু মিলিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এক বছরে ৩,০৮৫টি সহিংস অপরাধ—সংখ্যাটি গাজীপুরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। নাগরিকদের দাবি—অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
মন্তব্য করুন