মোহাম্মদ উল্লাহ
নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলায় ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নে ছিলোনিয়া ইউনিয়ন হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষক বিদায়ী ও সম্মাননা অনুষ্ঠান “সন্ধিক্ষণ”-যা পরিণত হয় আবেগ,কৃতজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণার এক অনন্য মিলনমেলায়।
শনিবার ( ২৭ ডিসেম্বর ) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় চত্বর ছিল উৎসবমুখর ও আনন্দঘণ পরিবেশ।
ছিলোনিয়া ইউনিয়ন হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মহসীন ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবু নাছের এর আয়োজনে ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ ড. সলিমুল্লাহ খান, অধ্যাপক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। তিনি শিক্ষকদের অবদানকে জাতি গঠনের মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “একজন শিক্ষক অবসর নেন, কিন্তু তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ কখনো অবসর নেয় না।”
উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ ফাউন্ডার ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক, ছিলোনিয়া ইউনিয়ন হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন। তিনি অ্যালামনাই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, মুহসিয়া তাবাসসুম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সেনবাগ, নোয়াখালী। হাজী মোহাম্মদ কামাল, আজীবন দাতা সদস্য ও উপদেষ্টা, অ্যালামনাই এসোসিয়েশন
প্রফেসর হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ। আবদুল মোতালেব দুলাল, কো-ফাউন্ডার (অ্যালামনাই) ও সদ্য সাবেক সভাপতি, ছিলোনিয়া ইউনিয়ন হাই স্কুল।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে সম্মান জানানো হয়-মোঃ আবদুস ছাত্তার (এম.এড, এল.এল.বি), সাবেক প্রধান শিক্ষক। আবুল খায়ের (বি.এ, বি.এড), সাবেক সিনিয়র সহকারী শিক্ষক
এছাড়াও প্রয়াত ও অবসরপ্রাপ্ত অন্যান্য সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়।
এসময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, শুভাকাঙ্ক্ষী সহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান জুড়ে স্মৃতিচারণ, সম্মাননা প্রদান ও আবেগঘন মুহূর্তে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের অমলিন বন্ধন নতুন করে ফুটে ওঠে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “সন্ধিক্ষণ” শুধু একটি বিদায় নয়-এটি কৃতজ্ঞতার এক জীবন্ত উদারণ।