লাখ টাকার বাগান খেল দুই টাকার ছাগলে" এই প্রবাদটি দিয়ে বোঝানো হয় যে, সামান্য কিছু ভুলের কারণে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। অথবা, অল্প কিছু অবহেলার কারণে অনেক মূল্যবান জিনিস নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই প্রবাদটি একটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেখানে "লাখ টাকার বাগান" বলতে মূল্যবান কিছু বোঝানো হয়, আর "২ টাকার ছাগল" বলতে সামান্য কারণ বা ভুলকে বোঝানো হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ একটি মূল্যবান বাগান তৈরি করে, কিন্তু সেখানে ছাগল ছেড়ে দেয়, তবে সেই ছাগল মুহূর্তের মধ্যে বাগানের সব গাছ খেয়ে ফেলতে পারে। এতে বাগানটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে। এখানে, "লাখ টাকার বাগান" হল মূল্যবান বাগান, আর "২ টাকার ছাগল" হল ওসি ফারুক এর পোষা ছয়টি ছাগল, যার কারণে তারাগঞ্জ থানার সুন্দর বাগানটি নষ্ট হয়ে গেল। রংপুর জেলায় তারাগঞ্জ উপজেলায় দুই নং ইউনিয়নে তারাগঞ্জ থানাটি অবস্থিত,
থানা স্থাপনের পর থেকেই বিভিন্ন ফলজ, বনজ, ঔষধি, ও ফুলের গাছ দিয়ে থানাটি পরিবেষ্টিত, থানাটি প্রায় তিন একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত
থানার সামনেই রয়েছে দৃষ্টি নন্দিত ফুলের বাগান যা দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে শিক্ষার্থী দর্শনার্থীরা ছুটে আসে ও বিগত সময়ে অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান কর্মরত থাকা অবস্থায় বিশেষ করে আম গাছ সহ বিভিন্ন ফলজ প্রায় ১৬০০ গাছ নতুন করে রোপণ করা হয়।এবং ৫ আগস্ট এর আগে ওসি সিদ্দিকুর রহমান থাকাকালীন তারাগঞ্জ থানার মূল ফটকের সামনে অনেক সুন্দর ফুলের বাগান তৈরি করেছিল যা তৎকালীন সময়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। কিন্তু সেই সৌন্দর্যের ভাটা পড়ে ওসি ফারুক এর দায়িত্ব পালনের পর থেকেই। তার কেনা ছয়টি খাসি উন্মুক্ত অবাধে চড়িয়ে বেড়ায় তিন একর জায়গা,ওসি ফারুকের কেনা পালিত ছাগল শুধু যে বাগান ও ফুলের গাছ নষ্ট করতেছে তা না তারা থানার ভেতরের পরিবেশ ও নষ্ট করছে বলে দাবি করেছে একাধিক পুলিশ সদস্য, শুধু তাই নয় ছাগল পরিচালনা করার জন্য নিযুক্ত করেছে একজন কনস্টেবল,তার নাম মিজান।পুলিশ সদস্য মিজানকে শুধু ছাগল চরানো না, তাকে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে থাকে বলে জানা গেছে।এ ব্যাপারে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা,কে এম ইফতেখারুল ইসলাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের দায়িত্বে আছেন তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কর্মকর্তা ছাগল পালন করবে তাকে অত্যন্ত সতর্কতার সহিত পালন করতে হবে ও বাগান ও গাছ রক্ষারক্ষণের জন্য অবশ্যই
দপ্তর প্রধানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, কারণ ছাগলের তো আর জ্ঞান নেই, সে সুযোগ পেলে বাগান ও গাছের ক্ষতি করবে এটাই স্বাভাবিক, তারাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিভা রানী এ ব্যাপারে মুঠোফোনে বলেন বাগানের আশেপাশে উন্মুক্ত ছাগল বিচরণ অবশ্যই একটি অপরাধ,
এ ব্যাপারে তারাগঞ্জ থানায় গিয়ে ওসি ফারুককে পাওয়া যায়নি।
তার অফিসিয়াল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও ফোন রিসিভ হয়নি। সাধারণ জনগণের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তিযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন