নজরুল ইসলাম
বকশীগঞ্জে উদ্ধার হলো ৫০-এর দশকের ঐতিহাসিক সরকারি গাড়ি
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন বাংলোতে বহুদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা ৫০-এর দশকের (প্রায় ৭০ বছর আগের) একটি মিতসুবিশি সরকারি গাড়ি অবশেষে নতুন করে পরিচয় ফিরে পেল। ধুলাবালি ও সময়ের ক্ষয়ে প্রায় অচেনা হয়ে যাওয়া গাড়িটিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেনের ব্যক্তিগত আগ্রহে ঘষেমেজে পুনরায় চেনার মতো অবস্থায় আনা হয়েছে।
গাড়িটির নম্বর প্লেট বহু আগেই প্রায় মুছে গিয়েছিল। ফলে এটি শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েক দফা পর্যবেক্ষণ, তুলনা ও অনুমানের মাধ্যমে অবশেষে গাড়িটির আসল নম্বর উদ্ধার করতে সক্ষম হয় উপজেলা প্রশাসন। জানা গেছে, একসময় এই গাড়িটিই ছিল বকশীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল যানবাহন।
স্থানীয়রা বলেন, বকশীগঞ্জে অনেক ইউএনও এসেছে, কিন্তু শাহ জহুরুল হোসেনের মতো বিচক্ষণ ও সংবেদনশীল কর্মকর্তা আমরা কখনো দেখিনি। পুরোনো একটি ভাঙাচোরা গাড়িও তাঁর চোখ এড়িয়ে যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন জানান,
গাড়িটা আমার বাংলোর ভেতরেই ছিল। কত কর্মকর্তা এই গাড়িতে চড়ে কাজ করেছেন ভাবতেই অন্যরকম এক অনুভূতি হয়। অথচ যত্নের অভাবে এমন ঐতিহাসিক জিনিস নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। জিনিসটা আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।
গাড়িটি পরিচয় ফিরে পাওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকে এটিকে সংরক্ষণ করে উপজেলা প্রশাসনের একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে রাখার দাবি তুলেছেন।