আনোয়ারুল ইসলাম
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ১০টির অধিক হিন্দু পরিবার এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতা কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে।
আজ ১৫ নভেম্বর শনিবার রাত ৯ টায় পশ্চিম ফুলমতি খাঁড়া পাড়ায় নাওডাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হরমুজ আলী এর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ জাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় উক্ত যোগদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সম্মানিত আমীর মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী, বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি ও ২৬ কুড়িগ্রাম -২ এর সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার।এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদ মিয়া, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব,
সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাস্টার রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন সভাপতি শামসুল হুদা বাবুল, নজরুল ইসলাম ব্যাংকার প্রমূখ।
কুড়িগ্রাম ২৬/২ সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার বলেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে কারো দোকানপাট, জায়গা-জমি, হাট-বাজর দখল করে নিবেনা। সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করবে।কুড়িগ্রাম জেলায় কোনো চাঁদাবাজি করতে দিবে না।
তিনি আরো বলেন, কুড়িগ্রামের জনগন যদি তাকে এমপি হিসাবে সুযোগ করে দেয় তাহলে তিনি সকল উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড করবেন।সেই সাথে ফুলবাড়ী উপজেলায় তিনি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। এখানে শিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত যুবকদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাবেন। বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতাসহ সকল সরকারি অনুদান সবার মাঝে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করবেন।
এছাড়া হিন্দুধর্মালম্বীদের উদ্দেশ্যে বলেন,বাংলাদেশে সকল ধর্মের লোকদের সমান অধিকারের চোখে দেখবেন। বিশেষ করে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের সকল হিন্দুধর্মের ভাইও বোনদের কে সকল নৈতিক কাজের সুযোগ করে দিবেন। কারো প্রতি কোনো বৈষম্য করবেন না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সম্মানিত আমীর মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী বলেন,আগামীর বাংলাদেশ হবে জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশ। আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ। কারন জামায়াতে ইসলামী কখনো কোনো সুদ,ষুষ,চাঁদাবাজ, গুম,রাহাজানির সাথে জরিত ছিলো না এবং ভবিষ্যতে থাকবেও না।
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে সবাই নিরাপত্তা পাবে।হিন্দুরা নির্ভয়ে তাদের ধর্ম পালন করবে।
সংখ্যা লঘুর কোনো ট্যাগ থাকবে না।
সর্বশেষে তিনি সকলের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে ভোট চেয়ে মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।