মেহেদী হাসান হাবিব
জামালপুরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো জেলা। বিশেষ করে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন চরাঞ্চলগুলোতে কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আজ জেলায় মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতি ও তাপমাত্রা
আজ সকালে জামালপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৬° সেলসিয়াস। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসের কারণে দিনের বেলাতেও সূর্যের তাপ অনুভূত হচ্ছে না।
আজকের আবহাওয়ার একনজরে আপডেট:
| বিষয় | তথ্য |
| সর্বোচ্চ তাপমাত্রা | ২৩° - ২৪° সেলসিয়াস |
| সর্বনিম্ন তাপমাত্রা | ১১.৬° সেলসিয়াস |
| অনুভূত তাপমাত্রা | রাতে ৯° - ১০° সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হতে পারে |
| আকাশের অবস্থা | দুপুরে রোদের দেখা মিললেও বিকেলে কুয়াশার দাপট বাড়বে |
বিপর্যস্ত জনজীবন ও যান চলাচল
ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত জেলাজুড়ে ছিল ঘন কুয়াশা। দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় মহাসড়কগুলোতে যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। দিনমজুর ও রিকশাচালকরা ভোরে কাজে বের হতে না পেরে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
> শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা:
> আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২-৩ দিনে তাপমাত্রা আরও কমে ১০° সেলসিয়াসের নিচে নামতে পারে, যা জেলায় একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ সৃষ্টি করতে পারে।
>
স্বাস্থ্য ও কৃষি ঝুঁকি
তীব্র শীতে জেলায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোল্ড ডায়রিয়া, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছে, যার মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি।
অন্যদিকে, ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বোরো ধান ও রবি শস্যের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় কপালে ভাঁজ পড়েছে স্থানীয় কৃষকদের। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আপনার নিউজ পোর্টালের জন্য এই প্রতিবেদনটি কি ঠিক আছে? আপনি চাইলে আমি কোনো নির্দিষ্ট উপজেলার (যেমন- বকশীগঞ্জ বা মাদারগঞ্জ) তথ্য যোগ করে এটি আরও বিস্তারিত করে দিতে পারি।
মন্তব্য করুন