বরগুনার তালতলী উপজেলায় এক গৃহবধূর বাড়ি থেকে প্রকাশ্যে গরু লুট করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা বাধা দিতে গেলে দেওয়া হয়েছে খুনের হুমকি। থানায় অভিযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলনে এসে বিচার ও নিরাপত্তা চাইলেন ভুক্তভোগী মোসাঃ দিথি বেগম।
আজ বিকেলে তালতলী সাংবাদিক ফোরামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে দিথি বেগম জানান, গত ২৪ নভেম্বর বিকেলে স্থানীয় রিয়াজ মৃধা, মাহবুবসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী তার খামারে হামলা চালায়। তারা তার দুটি মূল্যবান গরু (প্রায় ৯০ হাজার টাকা) জোর করে নিয়ে যায়। এসময় বাধা দিতে গেলে তাকে প্রকাশ্যে ‘তোর লাশ নদীতে ভাসবে’ বলে হত্যার হুমকি দেয়।
দিথি বেগম বলেন,আমি একজন নারী, আমার স্বামী সংসারের কাজে বাইরে থাকেন। এই সুযোগে তারা এমন দুঃসাহস দেখিয়েছে। থানায় গেছি, লিখিত অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেই। উল্টো আমি আর আমার শিশুরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।
তিনি অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীদের প্রভাব ও দাপটে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস করছে না। আর প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়ে কোন সূরাহ পাইনি।
সংবাদ সম্মেলনে দিথি বেগম তিন দফা দাবি জানান
হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, লুট হওয়া তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা।
সাংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন,দিথির স্বামী
মো.আল আমীন,দেবর, রাসেল, প্রতিবেশী সেলিম রেজা হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে বিথীর স্বামী আল আমিন বলেন আমি একজন অসহয় মানুষ দেশে আইন বলতে কিছু দেখতে পাইনি আমি বিষয় নিয়ে কোন যায়গা থেকে সুরাহ পেলাম না শেষমেশ ডিবি পুলিশ তদন্ত করলো সে কপি পযন্ত কোটে জমা দিল না আমরা গরিব বলে কি বিচার পাবো না। আমার সমস্ত তথ্য প্রমান থাকা সত্বেও কেন দিন দুপুরে গরু দুইটা নিল তার কোন বিচার পাবো না। আমি একজন দিন মজুর হিসাবে উর্দতম কর্মকর্তা যারা আছেন তাদের কাছি বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে পরিবারের পক্ষ থেকে এক হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য দেওয়া হয়—
“আমরা রাষ্ট্রের নাগরিক। রাষ্ট্র যদি আমাদের ন্যায়বিচার না দেয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? আমাদের সন্তানদের সামনে আজ আমরা অসহায়।”