মোঃ মশিউর রহমান
বিজিবি–বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে শান্তি, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)-এর অধীনস্থ সুন্দরা বিওপি-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়, সীমান্ত পিলার ৩১৯/এমপি হতে আনুমানিক ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুন্দরা নামক স্থানে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)-এর আহ্বানে আয়োজিত এ সাক্ষাতে প্রতিপক্ষ হিসেবে ৯১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ অংশগ্রহণ করে।
সৌজন্য সাক্ষাতে উভয় পক্ষ সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—
সীমান্ত এলাকায় গুলিবর্ষণ পরিহার
প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ রাখা
সীমান্ত হত্যা প্রতিরোধ
পুশ-ইন কার্যক্রম রোধ
দুষ্কৃতিকারীদের অপতৎপরতা প্রতিরোধ
চোরাকারবারীদের দ্বারা ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়া কর্তন প্রতিরোধ
মাদকদ্রব্য চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ
অবৈধ সীমান্ত পারাপার রোধ
এ সময় উভয় পক্ষ ভারত–বাংলাদেশ যৌথ সীমান্ত চুক্তি–১৯৭৫-এর নির্দেশনা অনুসরণ করে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিজিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার, পিএসসি এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসানসহ মোট ২৩ জন। বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ৯১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ-এর কমান্ড্যান্ট শ্রী বিপিন কুমারসহ মোট ১৫ জন।
পরিশেষে, উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সৌজন্য সাক্ষাতের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।প্রকাশকঃ দৈনিক জনতার খবর৷