ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন এর লক্ষ্যে বিএনপি মনোনীত দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬শে নবেম্বর) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের মাওলাগঞ্জ বাজারে উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপিও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ও নেতাকর্মীরা একক সুরে দাবি তুলেছেন—“এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দিতে হবে।”
কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক এমপি এমএ খালেক পিএসসি বলেন, “ধানের জমিতে ভুট্টা চাষ যেমন লাভজনক নয়, তেমনি বাঞ্ছারামপুরের মানুষও ধানের শীষ ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে আস্থা রাখবে না। গত ২৫ বছর ধরে আমরা লড়াই–সংগ্রাম করে ধানের শীষের কথাই বলে এসেছি। এই মাটিতে জনগণের প্রকৃত আস্থা অর্জন করতে পারে একমাত্র ধানের শীষ—অন্য কোনো প্রতীক নয়।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বানে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি আরও বলেন, বাঞ্ছারামপুর বিএনপির নেতা–কর্মীরা সবসময় ধানের শীষের প্রতীককে বুকে লালন করেছেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি একে এম ভিপি মুসার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট রফিক শিকদার ও অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া।
আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মেজর সাইদ, জেলা বিএনপির সহ–আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মহসিন, জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কাজী দবির উদ্দিন, সদস্য ভিপি নাজমুল হুদা, মো. গোলাম মোস্তফা, সালে মুসা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ফরিদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ম.ম ইলিয়াস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ভিপি মজিব, যুবদলের আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ আকাশ, সদস্য সচিব জিসান সরকার প্রমুখ।
বক্তারা স্পষ্টভাবে জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে হামলা–মামলা–নির্যাতনের শিকার হওয়া এই এলাকার নেতা–কর্মীদের প্রত্যাশা ভিন্ন কোনো প্রতীক নয়; ধানের শীষেই নির্বাচন চান তারা। নেতাকর্মীরা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) হলো বিএনপির সুদৃঢ় ঘাঁটি। আন্দোলন, ভোট ও প্রতিরোধ—সবক্ষেত্রে এই আসনকে দলীয় দুর্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই জোট রাজনীতি বা সমন্বিত আন্দোলনের নামে অন্য প্রতীকের প্রার্থী এখানে জনগণ গ্রহণ করবে না।