সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ও প্রাথমিক মনোনয়ন লাভকারী শকু জানান, কুলাউড়া ডাকবাংলো মাঠে একই মঞ্চে তিনি এবং দলের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী আবেদন রাজা প্রতিজ্ঞা করেছেন, দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার সাথে তারা এক হয়ে কাজ করবেন। এখন তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন চুড়ান্ত হয়ে গেলে তিনি আর বিরোধীতা করবেন না বলে আশা প্রকাশ করেন।
কুলাউড়ার উন্নয়নের প্রশ্নে শকু বলেন, প্রথমে আমি কুলাউড়াকে যানজট নিরসনে উদ্যোগ নেবো। তাছাড়া কুলাউড়ার ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে একটি পুর্নাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণ করবো এবং চা শিল্প রক্ষায় চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবেন।
কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দলীয় প্রার্থী পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত কুলাউড়া বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। কুলাউড়া বিএনপিতে মনোনয়ন নিয়ে কোন বিভেদ নাই। ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে শতভাগ বিএনপি ঐক্যবদ্ধ।
কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল বলেন, আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। দীর্ঘ দেড়যুগ পরে আমরা বিএনপির প্রার্থী পেয়েছি। বিএনপি যুবদল ছাত্রদল ঐক্যবদ্ধ আমরা এই আসনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রেদোওয়ান খান দলের মনোনয়ন বঞ্চিত আবেদ রাজাকে উদ্দেশ্য করে বলেন দল যদি একটি আসনের জন্য সরকার গঠন করতে না পারে তাহলে এর দায়ভার আপনাকে বহন করতে হবে।