আহমদ উল্লাহ
চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ হামজারবাগস্থ আল হাসান তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার ১২ তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ১২ ই নভেম্বর সম্পন্ন হয়। রবিবার বাদে জোহর হতে ওলামায়ে কেরামের তকরিরের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আলোচনা শুরু হয়। ২২ নভেম্বর শনিবার বাদে মাগরিব আল্লামা সুলতান যাওক নদভী রহ. ও আল্লামা হাফেজ মুফতি আহমদুল্লাহ সাহেব রহ. স্মরণে শানদার কেরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামগণ সমাজের সর্বস্থরে ধর্মীয় চিন্তাধারা ও মুসলিম মিল্লাতের মধ্যে বলিষ্ঠ ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি, আত্মশুদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান রাখেন। ওয়ায়েজীনদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নসিহত পেশ করেন মারকাজুদ দাওয়া ওয়াল ইরশাদের প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম হযরত আল্লামা মোস্তফা নবী দাঃবাঃ, জামেয়া দারুল মা'রিফ আল ইসলামিয়ার সুযোগ্য মুহতামিম হযরত আল্লামা ফুরকানুল্লাহ খলিল দাঃবাঃ, শাহসীরপুর মাদ্রাসার সুযোগ্য মুহতামিম হযরত আল্লামা ক্বারী নুরুল্লাহ নুর দাঃবাঃ। এতে আরো তকরির পেশ করেন জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা মুফতি জসীমউদ্দিন সাহেব দাঃবাঃ, মেখল হামিদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হযরত আল্লামা ঈসমাইল খান সাহেব দাঃবাঃ, জামেয়া আরবিয়া ইসলামিয়া জিরির সিনিয়র শিক্ষক হযরত মাওলানা হোসাইন আহমদ সাহেব দাঃবাঃ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামেয়াতুন নুর আল মিয়ইয়া পটিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা বুরহান উদ্দিন সাহেব দাঃবাঃ, জামেয়াতুন নুর আল মিয়ইয়া পটিয়ার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম হযরত আল্লামা ওবাইদুল্লাহ হামজা, বরকল ফয়জিয়া মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক হযরত মাওলানা আনিসুর রহমান সাহেব দাঃবাঃ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন অত্র মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মোরশেদুল ইসলাম। বক্তারা বলেন তিন ধরণের চরিত্র রয়েছে। সেগুলো হলো সচ্চরিত্র, উত্তম চরিত্র ও মহাচরিত্র। আল্লাহর রাসূল এই তিন ধরনের চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। সন্তানদের উত্তম আখলাক বা চরিত্র গঠনের জন্য অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার জন্য বলেন। বক্তারা শানে রেসালাত বা রাসূলের শান-মান, আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন এবং বলেন রাসূলে পাকের কারণে অন্যান্য নবীর উম্মতের চাইতে আখেরী নবীর উম্মতরাও অধিক মর্রযাদাবান। মাহফিলের সর্বাঙ্গীন সফলতার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন আল হাসান তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা ওজাইরুল্লাহ।
মন্তব্য করুন