মো: মাসুম কবির
আশুলিয়া এলাকায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের জের ধরে সোমবার রাত সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যায় ব্যাচেলর প্যারাডাইস হোটেলের সামনে সিটি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল থেকে থুথু ফেললে তা ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীর গায়ে লাগে। এ নিয়ে
পরে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে রবিবার রাত ১০টার পর ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সিটি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পুলিশের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
সিটি ইউনিভার্সিটির টেম্পারেল ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আরিফুরজ্জামান বলেন, 'রাত ১০টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রশাসনের অনেকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। ওরা এসে ক্যাম্পাসে আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে। শত শত ছাত্রকে মেরেছে, আহত করেছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর সহযোগিতা পাইনি।'
সিটি ইউনিভার্সিটির প্রক্টর অধ্যাপক আবু জায়েদ বলেন, 'এই ঘটনার সূত্রপাত কী হয়েছে সেটি এখনও আমরা নিশ্চিত নই। হয়তো মারামারি থেকে ক্যাম্পাসে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা হয়েছে? এটি পরিকল্পিত।'
এদিকে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, 'অসাবধানতাবশত সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর থুথু ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর শরীরে লাগে। সেখানে সরি বলে বিষয়টি সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু রাতে এসে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের মেসে ভাঙচুর ঘটনা কাম্য নয়। উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান, আমাদের শিক্ষার্থী। আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি সমাধানের।'
এদিকে গতকাল সকাল পর্যন্ত ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ৯ জন শিক্ষার্থীকে সিটি ইউনিভার্সিটিতে আটক রাখার অভিযোগ করেন প্রক্টর শেখ মুহাম্মদ আলিয়ার।