সাইফুল ইসলাম
খুলনার কয়রা উপজেলায় গন অধিকার পরিষদের সভাপতি সহ ১৬ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেছেন। তারা হলেন উপজেলা গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি মোঃ ইয়াছিন আলী,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠিনক সম্পাদক হাছান মোড়ল, অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন, সদস্য হাসান সরদার, আকবারুল হোসেন,মাসুম বিল্লাহ, কাজল, শহিদুল আনিসুর রহমান, রবিউল ইসলাম, মেহেদী হাসান, এছার আলী,আহাদ হাসান।
রবিবার (২৫ জানুয়ারী) সকাল ১০ টায় কয়রা উপজেলা জামায়াত অফিসের দলীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে জামায়াতে যোগদেন। এ সময় নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীদের ফুলের মালা পরিয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এটি জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন কয়রা-পাইকগাছা আসনের দাড়ি পাল্লা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ্ব মাওঃ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ মিজানুর রহমান, সেক্রেটারি মাওঃ শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওঃ সুজাউদ্দীন, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির জিএম মিজানুর রহমান, কয়রা উপজেলা যুব জামায়াতের সেক্রেটারী জিএম মোনায়েম , কয়রা সদর ইউনিয়ন যুব জামায়াতের সভাপতি হাফেজ ডি এম জাহিদুর রহমান প্রমুখ।অনুষ্ঠানে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর হাতকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন। গণঅধিকার পরিষদ থেকে আসা এই নেতাকর্মীদের যোগদানে জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামীর আদর্শভিত্তিক রাজনীতি ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতি আস্থা রেখেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতাকর্মীরাও তাদের বক্তব্যে জানান, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও গণমানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে তারা জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিয়েছেন।