জনতার খবর রিপোর্টার
প্রকাশঃ 25-ডিসেম্বর-2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

রায়গঞ্জের নিমগাছীতে ফুটপাতে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র কেনা বেচা

মোঃ জাকে উল্লাহ

রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী, চানদাইকোনা, ধানগড়া,  বাজারে জমে উঠেছে শীতবস্ত্রের বেচাকেনা। গত কয়েকদিন ধরে সকাল থেকে হালকা ঘন কুয়াশা আর রাতে ঠান্ডা আমেজ বলে দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। বড় মার্কেটগুলোতে বেচাকেনা কম থাকলেও ফুটপাতে বেড়েছে শীতবস্ত্রের বেচাকেনা। নিমগাছী বাজারে বেচাকেনা চলে সপ্তাহে দুদিন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।

সরেজমিনে ফুটপাতের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ক্রেতারা যেমন আসছেন তেমনি স্বল্প আয়ের মানুষেরাও অল্পমদামে শীতবস্ত্র কিনতে ফুটপাতের এসব ভ্রাম্যমাণ দোকানে ভিড় করছেন। তবে এখানে পুরুষ ক্রেতার চেয়ে মহিলা ক্রেতাই বেশি দেখা গেছে। এই ফুটপাতে শীতের চাদর, জ্যাকেট, সোয়েটার, কম্বল, মোটা কাপড়ের গেঞ্জি, হুডি, মাফলার, কমফোর্টার, হাতমোজা, কানটুপিসহ সব ধরনের শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানীরা।

ক্রেতা জাহানারা বেগম বলেন, শীতের প্রভাব আরো বেশি পড়ার আগেই এবার শীতের পোশাক কেনার জন্য ফুটপাতের মার্কেটে আসছি। বর্তমানে আমাদের মতো নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এই ফুটপাতের বাজার খুবই দরকারি ছিল। ফুটপাতের এই বাজারের অধিকাংশ দোকানেই নরসিংদীর বাবুরহাট, ঢাকা কেরানীগঞ্জের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। তাই কম দামে নিত্যনতুন জামা কাপড় পাওয়া যাচ্ছে।

রাবেয়া আক্তার বলেন, শীতের শুরুতেই এবার ফুটপাতে কিছুটা ভিড় বাড়ছে। মানুষের ভিড়ের কারণে দোকানে ঢুকতে একটু কষ্ট হচ্ছে। দরদাম করে কেনাতো পরের কথা। তার পরও একটু আগে ভাগে কিনতে আসলাম। না হলে পরে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হবে। কমদামে ছেলে মেয়েদের শীতবস্ত্র কেনার জন্যই এই ফুটপাতের দোকান গুলোতে এসেছি। তবে গত বছরের তুলনায় এবার একটু শীতবস্ত্রের দামটা বেশি মনে হচ্ছে।

দোকানের বিক্রেতা শাখাওয়াত, সবিকুল ও হরিদাসের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফুটপাতে বিভিন্ন ধরনের শাল ও চাদরের দাম পরে ৩৩০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা, সোয়েটার ৩০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা, কাপড়ের জুতা ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা, জ্যাকেট ৬০০ থেকে ৮৫০ টাকা, গরম কাপড়ের তৈরি প্যান্ট ২৫০ টাকা থেকে ৩৮০ টাকা, পায়জামা ১২০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা, টুপিওয়ালা গেঞ্জি ১৫০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, টুপি ১০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, মাফলার পাওয়া যায় ১৫০ টাকা থেকে ২২০ টাকা।

নিমগাছী বাজারের ইজারাদার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই দুই দিন এ বাজারের হাটের বার থাকায় এখানে প্রায় শতাধিক ভাসমান দোকান ফুটপাতে বসে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে আমরা বাজার কমিটির লোকজন ওই দুদিন তাঁদের বেচাকেনা মনিটরিং করে থাকি। কারণ এ হাটে নারী ক্রেতার সংখ্যা বেশি। রায়গঞ্জ থানার পুলিশও আমাদের এ হাটের নিরাপত্তা মনিটরিং করে থাকেন।
 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মৌলভীবাজার চেম্বার নির্বাচন,আপীল করার পর চুরান্ত ফলাফল

1

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা সদর উত্তরে স্থাপনের দাবিতে স্মারকলিপি প

2

একজন সৎ কর্মঠ ও নিরহংকার মনের মানুষ ময়মনসিংহের ডিসি সাইফুর র

3

ইয়াবাসহ নোয়াখালীর শীর্ষ মাদক কারবারি দুই জন গ্রেপ্তার

4

গলাচিপায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহাত-২

5

বন্ডাই বিচে ভয়াবহ গণহত্যার পর অস্ট্রেলিয়ায় অস্ত্র আইন আরও কঠ

6

শিক্ষকরা আন্দোলনে, সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষ

7

মান্দায় ধানের শীষে ভোট চাইলেন ডাক্তার টিপু

8

ঠাকুরগাঁওয়ে বাসরঘরে মুখ ধোয়ার পর ‘অচেনা’ নববধূ, অভিযোগ গড়াল

9

সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন

10

ভোলায় শীতার্ত মানুষের পাশে করিম–বানু ফাউন্ডেশন, কম্বল ও খাবা

11

রাঙামাটিতে বৃদ্ধ জেলেকে গলাটিপে হত্যার দায়ে জমর কান্তি চাকমা

12

ভিসা জালিয়াতি : সৌদিতে আটক ৫ শতাধিক মিসরীয় হজযাত্রী

13

শেরপুরে ধর্ষণের অভিযোগে মুয়াজ্জিন গ্রেফতার

14

গর্তে গর্তে তাজা মাছ বর্ষায় গ্রামে উৎসবের আমেজ

15

ইসলামী আন্দোলন (চরমোনাই) ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিলেন দুই নেতা

16

পাঁচতলা ভবনে ভয়াবহ ডাকাতির সময় মহিলা জঘম

17

মিথিলার আত্ন হত্যায় প্ররোচনায়কারিদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

18

ফুলবাড়ীতে বন্যার আগাম সতর্কবার্তা ও ঝুঁকি বিষয়ক কর্মশালা অনু

19

নড়াইলের হাটবাড়িয়া জমিদারবাড়ি ডিসি পার্কের রাস্তাপ্রশস্ত করণ

20