কামাল মিয়া
এলাকার অধিকাংশ যুবক আজ নিঃস্ব। অনেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণে জড়িয়ে পরিবার ছেড়ে ঘরছাড়া হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজে জুয়ার সুযোগ পাওয়ায় তরুণরা দ্রুত এতে আসক্ত হয়ে পড়ছে। শুরুতে অল্প টাকার খেলায় জড়িয়ে শেষ পর্যন্ত সর্বস্ব হারিয়ে ফেলছে অনেকে। ঋণের চাপ, পাওনাদারের তাগাদা ও সামাজিক লজ্জার ভয়ে বহু যুবক পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
এক ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য বলেন, “ছেলে মোবাইল জুয়ায় কয়েক লাখ টাকা ঋণ করেছে। এখন সে ঘরে ফেরে না, আমরা ভয় আর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি।” এমন অসংখ্য করুণ কাহিনি আজ কাদরা এলাকার নিত্যদিনের বাস্তবতা।
মোবাইল জুয়ার কারণে শুধু যুবকরাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো পরিবার ও সমাজ। সংসারে নেমে এসেছে দারিদ্র্য, বেড়েছে পারিবারিক কলহ, মানসিক অস্থিরতা ও সামাজিক অবক্ষয়। শিশু ও নারীরা পড়ছে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে।
সচেতন মহল মনে করছেন, এটি আর শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়—এটি একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে একটি প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এই প্রেক্ষাপটে চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের কাদরা এলাকার ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিকরা মোবাইল জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, জুয়ার অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
মন্তব্য করুন