আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চান্দিনা উপজেলায় জোট–রাজনীতি এবং দলীয় মনোনয়ন ঘিরে চলছে তুমুল আলোচনা। কেন্দ্রীয় বিএনপি কাকে বেছে নেবে—এ নিয়ে সাধারণ ভোটার থেকে স্থানীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা–কল্পনা।
এদিকে জোটগত সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে কেন্দ্রীয় রাজনীতি। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বিএনপির কাছে ১৫–২০টি আসন দাবি করায় বিএনপি দ্বিমত পোষণ করে মাত্র ২টি আসন দিতে চেয়েছে। এই আসন–সঙ্কটকে কেন্দ্র করে এলডিপির ভেতরেই দেখা দিয়েছে বিভাজনের আভাস।
দলটির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমেদ ও মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের নেতৃত্বের টানাপোড়েন নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—এলডিপি টিকে থাকবে, নাকি ভাঙনের মুখে পড়বে। যদি নেতৃবৃন্দ দুই ভিন্ন অবস্থানে চলে যান, তবে রেদোয়ান আহমেদের নেতৃত্বে জোটে থাকা কিংবা বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
ঠিক এমন অস্থির জোট রাজনীতির প্রেক্ষাপটে চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন এগিয়ে রয়েছেন মনোনয়ন দৌড়ে। স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর অবস্থান মজবুত, মাঠে সক্রিয়তা দৃশ্যমান এবং জনসমর্থনও উল্লেখযোগ্য।
রাজনৈতিক মহলের মতে—
যদি বিএনপির সঙ্গে এলডিপির জোট চূড়ান্তভাবে না হয়, তবে চান্দিনা আসনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে আতিকুল আলম শাওনই মনোনয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার। ফলে বর্তমানে জামায়াত–জোট বা এলডিপির সমীকরণের চাইতে তাঁর অবস্থান তুলনামূলক স্থিতিশীল এবং সম্ভাবনাময়।
স্থানীয় ভোটারদের কথায়_জোট থাকুক বা না থাকুক, চান্দিনার মাঠে শাওন সাহেবই এগিয়ে—এটা এখন ওপেন সিক্রেট।
মন্তব্য করুন