আবু বকর সিদ্দিক।।
ঢাকার ধামরাই উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ এক বিশাল আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার র্যালিরও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন ঢাকা -২০ এর বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মী ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দ।
উক্ত আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালির নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি জনাব ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ। ধামরাই উপজেলার যাত্রাবাড়ী মাঠে আলোচনা সভা শেষে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও কর্মীবৃন্দদের নিয়ে উক্ত র্যালির পরিচালনা করেন তিনি।
আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে জনাব ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন, “প্রথমেই স্মরণ করি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সেই সাথে সেই সকল মানুষকে যারা এই দলের জন্য গুম খুনের শিকার হয়েছেন।তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। এই ৪৭ বছরের পথচলা সহজ ছিল না। শহীদ জিয়ার মৃত্যুর পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একা হাতে এই দলকে পথ দেখিয়েছেন। অন্যায়ের সাথে আপোষ না করে এই দলকে আজ এপর্যন্ত এনেছেন,এবং দোয়া করি দেশনায়ক তারেক রহমানের দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আরো এগিয়ে যাবে।বাংলাদেশ বিএনপিই একমাত্র গণতান্ত্রিক দল।বিএনপিই বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। ”
তিনি তার বক্তব্যে আরো বলেন, “একটি দল ইসলামকে বিক্রি করে নানান ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, অদৃশ্য শক্তির বলে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। নির্বাচন হবেই এবং ব্যালটের মাধ্যমেই হবে । পিআর হলো বিকাশ মার্কা নির্বাচন। বিকাশে টাকা দিলে কোথায় গেল কোন দেশে গেল যেমন দেখা যায় না পিআর ও ঠিক তেমনি।তারেক রহমান আমাকে আশ্বাস দিয়েছে ও ধামরাইবাসীর দোয়ায় আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন হয়ে ধামরাই সেবা করবো। ”
এসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা তাদের বক্তব্যে বলেন,“ মুরাদের কোনো বিকল্প ধামরাইতে নাই।”তারা এসময় বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও একই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী জনাব তমিজ উদ্দিনের তীব্র সমালোচনা করে। আওয়ামী লীগের সময়ে তাহার আওয়ামী প্রীতি কথা বলেন। তাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন এই ১৭ বছর যারা ফ্যাসিস্টদের সাথে নিয়ে বলেছেন তাদেরকে আমরা ঘৃণা করি। সেই নেতা নেতা নয়, তাকে আমরা নেতা বলে মানি না। ধামরাইয়ের মানুষ জানে মুরাদ কখনো ফ্যাসিস্টদের সাথে সম্পর্ক রেখে চলেনি।”
আলোচনা পরবর্তীতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ধামরাই যাত্রাবাড়ী হইতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ইসলামপুর স্ট্যান্ড পর্যন্ত বিশাল আনন্দ র্যালি পরিচালনা করে। সন্ধ্যা পরবর্তী সময়ে এ র্যালি সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নেতৃবৃন্দ সুতি পাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান রুমা, উপজেলা নেতৃবৃন্দ ইবাদুল হক জাহিদ, এনায়েতুর রহমান, পৌরসভা নেতৃবৃন্দ আবু তাহের মুকুট, আনসার আলী, খুররম চোধুরী টুটুল, নাইম,জাভেদ আহমেদ, শিপলু, ইসতিয়াক আহমেদ ফারুক, রিমন, শিশির, ফারুক, হাসান, শরীফ, সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন