মুহাম্মদ মূসা।।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার বড় অংশ জুড়ে এসেছে নির্বাচন ব্যবস্থা। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেলে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করবেন।
এবারের আরপিওতে বড় কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ইসি। এর মধ্যে রয়েছে—
মোট ৪০ থেকে ৪৪টি সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এসব প্রস্তাবের অধিকাংশের সঙ্গে একমত জানালেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অযোগ্য করার প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। তার মতে, শুধু আইন করলেই হবে না, বাস্তবায়নে ইসির সক্ষমতাই বড় বিষয়।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনায় না বসেই ইসি এসব প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। তিনি বলেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি যুক্ত না করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, প্রস্তাবিত আরপিও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গ্রহণযোগ্য হলেও শরীক দলের প্রতীক ব্যবহার বন্ধ করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণা করা অযৌক্তিক।
নির্বাচন বিশ্লেষক মুনিরা খান মনে করেন, স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে নতুন আরপিও একটি ভালো নির্বাচন উপহার দিতে পারে। তবে এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও জরুরি।
মন্তব্য করুন