কাজী আতিকুর রহমান
মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন–১৯৫০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী এলাকার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের নলিয়া নদীতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে নলিয়া নদীতে অবৈধভাবে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ জাল শনাক্ত করা হয়। এ সময় নদী থেকে মোট ৭টি চায়না দুয়ারী জাল এবং ৫টি চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। এসব জাল নদীর স্বাভাবিক মাছের প্রজনন প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছিল।
পরে উদ্ধারকৃত অবৈধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে নদীতে মাছের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে নদীর মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাস বলেন, অবৈধ ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের ফলে নদী ও খালের মাছের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও আইন বাস্তবায়নের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। তিনি জেলেদের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এ অভিযানে নড়াগাতী থানা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও অবৈধ জাল ও অবৈধভাবে মাছ ধরার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।##