সারুয়ার
রুটে আবারও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত CNG ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ১০০ টাকার পরিবর্তে জোরপূর্বক ১২০ টাকা করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাহিরপুর থেকে সুনামগঞ্জের আব্দুজ জহুর সেতু পর্যন্ত মোট দূরত্ব প্রায় ৩১ কিলোমিটার। কিলোমিটারভিত্তিক হিসাবে ভাড়া ১০০ টাকার কম হওয়া স্বাভাবিক হলেও দীর্ঘদিন ধরেই ১২০ টাকা ভাড়া আদায় করে আসছেন সিএনজি চালকরা। পর্যটনের ভিড় বাড়লে সেই ভাড়া ১৫০ টাকাও নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে সিএনজি চালকরা ভাড়া ১২০ টাকা ধার্য করলে তখনকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুপ্রভাত চাকমার হস্তক্ষেপে তা কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু গত ২–৩ মাস ধরে আবারও চালকরা একতরফাভাবে ভাড়া ১২০ টাকা আদায় শুরু করেন। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা বাড়লে তৎকালীন ইউএনও বিষয়টি আমলে নিয়ে পুনরায় ১০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করেন।
তবে গত ১০–১২ দিন ধরে পুনরায় ১২০ টাকা ভাড়া আদায় করছে সিএনজি চালকরা। এতে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় জনস্বার্থবিরোধী। তারা দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা Uno তাহিরপুর AC Land তাহিরপুর। ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ট্যাগ করে বিষয়টি সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়াও সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী আনিসুল হক ও কামরুজ্জামান কামরুলের প্রতিও জনগণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে যে, তারা এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেবেন।
সাধারণ মানুষের দাবি—
> প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত ভাড়া ১০০ টাকায় নামানো হোক এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
ভুক্তভোগীরা জানান, জনপ্রতিনিধিদের জনসভায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে তাহিরপুরবাসী তাদের প্রতি আস্থা রাখে। তাই জনগণের মৌলিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় জনগণের আস্থায় ফাটল ধরতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তারা।