মো : মোজাহিদ হোসেন
মোহনগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ঝেঁকে বসেছে তীব্র শীত। শীতের তীব্রতায় মানুষ যখন ঘর থেকে বের হতে ভয় পায়, তখনো মোহনগঞ্জের হাওর পাড়ের কৃষকেরা মাঠে জমিতে ধানের চারা রোপন করতে ব্যস্ত। যদিও তুলনা মূলক কম কৃষক জমিতে আছেন। যারা নিজের জমিতে ধান চাষের জন্যে ভাড়া করা মেশিনে জমি চাষ করে রোপন যোগ্য করেছেন, তাদের জমি রোপন না হলে, দু চার দিন পরে জমির মাঠি আবারো জমে শক্ত হয়ে যাবে,তখন আবারো নতুন করে চাষ করতে হবে। এ জন্যই যাদের জমি রোপন যোগ্য করেছেন তারা তীব্র শীত উপেক্ষা করেই ধান রোপন করছেন।
তেতুলিয়া গ্রামের কৃষক মিলন তালুকদার জানান, হাওরাঞ্চলের কৃষকের শীত ভয় পেলে চলেনা। তাদের সময় মত জমিতে ধান চাষ করতে হবে। নয়তো পুরো জমি রোপন করতে অনেক সময় চলে যাবে। তখন সুফসল হবে না।
হাবিবুর রহমান নামে এক কৃষক জানান, তীব্র শীতে ভোরে যখন জমির পানিতে যাই, তখন হাত পা, শরীর অবশ হয়ে পড়ে। তখন শরীরে কোন অনুভূতি থাকেনা। ঠান্ডা বা ব্যথা কিছুই বুঝা যায়না। তবে খুব কষ্ট হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তা আব্দুর শাকুর সাদী জানান, শৈত্য প্রবাহের কারনে মোহনগঞ্জ উপজেলায় তীব্র শীত বইছে, এতে কৃষি কাজ ব্যহত হচ্ছে। উপজেলায় ১৬ হাজার ৯শ ৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। হাওরে লক্ষমাত্রা ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর। এর মধ্যে বোরো রোপণ হয়েছে, ৩ হাজার ১২০ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ১১০০ হেক্টর, উফশি ২০২০ হেক্টর। হঠাৎ তীব্র শীতে বোরো আবাদে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন