মোঃ সফিউল আলম
ভালো একটা দিনের আশায়, পরিবারে সুখের হাসি ফুটানোর স্বপ্নে—ঋণের টাকা তুলে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিল ৭ যুবক । এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭ যুবক পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর আশায় পাড়ি দিয়ে থাকে প্রবাসে। কিন্তু সেই স্বপ্নই আজ ছয় পরিবারের জীবনে পরিণত হয়েছে নির্মম দুঃস্বপ্নে। অন্য দিকে দেখা যায় , অবৈধ ভিসা দিয়ে দেশের সাধারণ জনগণের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজ বাড়িতে করেছে রাজপ্রাসাদ, এবং কি ভিসা কৃত কবিরের পরিবারের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবার কথা বলার চেষ্টা করলে, উল্টো বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে কবিরের পরিবার।
এলাকার ব্যক্তিবর্গরা জানায়, মোঃ দুলাল, ইয়াছিন, আলমগীর, রুবেল, মির হোসেন ও সবুজ ও শাকিল সহ ৭ যুবকের পরিবার গুলো এমন অবস্থায় দিনযাপন করে যাচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক। তারেই মধ্যে ভিসা পতাকা না থাকায় দুই তিন জনকে সৌদি জেল খানায় ২০ দিন জেল খাটিয়ে দেশে ফেরত পাঠায়, সৌদি পুলিশ। ইতিমধ্যে আমরা কবিরের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি, কিন্তু তাতে আমরা ব্যক্ত হই । প্রতারণার শিকার ৭ পরিবার ঋণের টাকা বুঝা নিয়ে আজ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে । অন্য দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও ও স্থানীয় সংস্থা থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে , শ্রীপুর ইউনিয়নের সৌদি প্রবাসী মোঃ কবির হোসেনের কাছ থেকে ছয়টি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয় ছয় যুবককে । কিন্তু কবিরের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি ছিল—দুই বছরের ভিসা, নিরাপদ কর্মসংস্থান ও মাসিক ৪০ হাজার টাকা বেতন।
কিন্তু স্বপ্ন দেখিয়ে শুরু হলো দুঃখের দিন। কবির হোসেন ভিসা দিলেও প্রতিশ্রুত কাজ বা বেতনের কিছুই মিলেনি ৭ যুবকের। সৌদিতে পৌঁছানোর পর থেকেই প্রবাস জুড়ে নেমে আসে ৭ যুবকের জীবনে অন্ধকার। তারা জানায়— এয়ারপোর্টে নামার পর এখন পর্যন্ত পায়নি দেখা, ভিসা কৃত কবির হোসেনকে। এবং বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারা রাত কাটাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে ও কখনো মরুভূমি স্তরে,, বর্তমানে —ঋণ শোধ করতে না পেরে থাকতে হচ্ছে বিভিন্ন সময় আত্মগোপনে।
সঠিক বিচারের আসায়, ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অহিদুর রহমান বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় ভিসা কৃত কবির হোসেনকে আসামি করে, একটি অভিযোগ দায়ের করে থাকেন ভুক্তভোগী পরিবার। এই বিষয়
চৌদ্দগ্রাম থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মুরাদ সাংবাদিকদের বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানায় — এমন একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সময় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় — সেই ভিসা কৃত দালাল কবির হোসেনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে ঋণের ৩০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে ছয় যুবকের পরিবার গুলোকে রক্ষা করার দাবী জানায় ভুক্তভোগী পরিবার। এবং কি ভিসা কৃত দালাল কবির হোসেনের কঠোর শাস্তির দাবী জানান ভুক্তভোগী পরিবার। ।