জনতার খবর রিপোর্টার
প্রকাশঃ 18-জানুয়ারী-2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ধামরাইয়ে কৃষ্ণনগর ২০ শষ্যা সরকারি হাসপাতালে ঝুলছে তালা

 
মুস্তাফিজুর রহমান
 ঢাকার ধামরাইয়ে কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহিনতা উদাসিনতা ও গাফলতি এবং অবহেলার কারণে কৃষ্ণনগর  ২০ শষ্যা হাসপাতালে  চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য কোন চিকিৎসক নেই।  প্রতিদিনই  বিভিন্ন বয়সের রোগীরা সেবা না পেয়ে ফেরত যাচ্ছেন । 
মাঝে মাঝে সকাল ১১ টার পর  মুল দরজার তালা খুললেও মিলছে না ঔষধ পত্র। এমন হতাশার কথা জানিয়েছেন  এলাকাবাসী। 
ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নে কৃষ্ণনগর এলাকায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামের সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে সরকারি অর্থে ২০০৬ সালে প্রায় ৪ একর জায়গায় আধুনিক মানের ২০ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি স্থাপন করা হয়েছিল। 
৪/৫ মাস আগেও এ হাসপাতালের এমন চিত্র ছিল না।  বর্তমানে বেশী সময়ই তালা ঝুলানো থাকে।
এ যেন দেখার কেউ।  কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত এ  ২০ শষ্যা হাসপাতালে কাঙ্খিত চিকিৎসার সেবা কার্যক্রম সাড়ে ১৪ বছরেও পুরোপুরি চালু হয়নি। ফলে হাসপাতালে মূল ও আবাসিক ভবনের দরজা জানালা ভেঙে খুলে খুলে পড়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান জিনিসপত্র।
 সরকারি অর্থে ২০০৬ সালে প্রায় ৪ একর জায়গায় আধুনিক মানের ২০ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাপনা ইউনিট (সিএমএমইউ) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কর্ণেল মো. ফজলুর রশীদ মৃধা, পিএসসি। হাসপাতালের প্রধান ভবনসহ নির্মাণ করা হয়েছে চিকিৎসকদের আবাসিক ভবন, গাড়ির গ্যারেজ, পানির পাম্প ইত্যাদি। দেয়া হয়েছিল বিদ্যুৎ সংযোগসহ রাখা হয়েছিল নানা সুবিধা।
সরেজমিনে দেখা যায়, এলাকার মানুষ তাদের আবাদি জমি হাসপাতাল স্থাপনের জন্য ছেড়ে দিলেও সেই সুফল আজও জনগণ ভোগ করতে পাড়েনি। 

এক জমিদাতা  বলেন, আমরা ৫৫ শতাংশ জমি এই হাসপাতালে নামমাত্র দামে এলাকার স্বার্থে দিয়েছি। কিন্তু সেই আশা আজও পূরণ হয়নি। হাসপাতালটিতে এলাকার মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে আসলেও সময় মতো আগেই ও ডাক্তার পাওয়া যায়নি এখন তো চিকিৎসা সেবায় বন্ধ রয়েছে।
 তিনি দুঃখ করে বলেন, হাসপাতাল না হয়ে গার্মেন্টস হলেও এলাকার মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ পেত।

কৃষ্ণনগর গ্রামের শফিজুদ্দিন বলেন, আমাদের  গ্রাম এলাকায় সাধারণত মানুষের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য এ হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল।
বর্তমানে প্রায় ৬ মাস যাবৎ ২ জন নার্স আসলেও কোন চিকিৎসক আসেন না। ফলে কোন চিকিৎসা এমনকি ঔষধ ও পাচ্ছে না এলালার মানুষ। তিনি অভিযোগ করেন বলেন সবই কর্তৃপক্ষের অবহেলা। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের  (আরএম ও)  মাহমুদুল হাসান তিতাস  বলেন, সব চিকিৎসককে ধামরাই নিয়ে আসা হয়েছে। একজন্য আপাততঃ চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে।

 
 
 
 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিরাপদ-ঝুঁকিমুক্ত সড়কের দাবিতে ছাতকবাসীর ব্যানারে মানববন্ধ

1

মাদারীপুর ০৩ আসনে-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য

2

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন না মাসুদুজ্জামান মাসুদ

3

খেজুরের রস পান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত

4

মাদ্রাসা শিক্ষকের বেদম প্রহারে শিক্ষার্থী গুরুত্বর অসুস্থ

5

কুশারিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫

6

পোরশায় উপজেলা পর্যায়ে তারুণ্যের উৎসব/ ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে

7

রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে নতুন সদস্যদের বরণ

8

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন ক

9

শ্রীবরদীতে শিক্ষকের বদলি আদেশে ফুঁসছে শিক্ষার্থীরা

10

এতো মানুষের সামনে আমি কোনো অন্যায় করতে পারবো না

11

হাদির ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি আল আমিনের

12

চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মনোনয়ন চূড়ান্ত

13

কিশোরগঞ্জে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সিরাত কনফারেন্স অনুষ্

14

মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ

15

বারহাট্টায় কলেজ শাখায় ছাত্রদলের কমিটি উপলক্ষে আনন্দ মিছিল

16

কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থী বাপ্পির সাক্ষাৎ

17

ভোলা কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানের ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজনকে

18

লালপুরে নারীকে গলা কেটে হত্যা

19

বগুড়াবাসীর আশার আলো নিয়ে আসছেন নবাগত জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহ

20